কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের সমাবেশ সফল করতে জীবন বাজী রেখে যুবদলকে মাঠে থাকতে হবে:শাহাদাত

433

চট্টগ্রাম বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। এ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সেদিন যাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার ডাক আশা করেছিল তাদেরকে সেদিন বাংলাদেশের কোথাও খুুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা সকলেই পালিয়ে গিয়েছিল। আরো কিছু পালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছিল। ঐদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ডাক না দিতেন স্বশস্ত্র যুদ্ধ বাংলাদেশে জন্ম হতো না। সাধারণ একজন মানুষ’র কাছ থেকে ডাক দেয়া আর একজন আর্মি পার্সন’র মুখ থেকে ডাক দেয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

Advertisement

আমরা মুখ দিয়ে যতই বলি অমুক ভাই তমুক ভাই ডাক দিয়েছে, কথা হচ্ছে ২৫ মার্চ’র কালো রাতে যখন তাজ উদ্দিন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ীতে ছিলেন উনার কাছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিখেছিলেন, পরের দিন ২৬ মার্চ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ডাক দিলেন সাথে সাথে চট্টগ্রামে স্বাধীনতার কথা বলতে মানুষ পাগল হয়ে গেল। ইতিহাসকে বিকৃত করা যাবে না। স্বাধীনতার ঘোষণা দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আওয়ামীলীগ বা বিএনপি কেউ চাইলেই ইতিহাস পরিবর্তন করতে পারবে না। ইতিহাস লিখেন ইতিহাসবিদরা। রাজনীতিবিদরা ইতিহাস রচনা করলে সেটা হয় প্রোপাগান্ডা।

তিনি আজ মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে মাঠে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের সমাবেশকে সফল করতে জীবন বাজী রেখে সকলকে মাঠে থাকতে হবে। সমাবেশের লক্ষ্য রেখে লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন জারী হয়েছে, যিনি প্রজ্ঞাপন জারী করেছেন তার আশেপাশে আদালত প্রাঙ্গণে হাজার হাজার মানুষ ঘুরাফিরা করছে বিভিন্ন জামিনের জন্য চট্টগ্রাম শহর ও বিভাগ থেকে আসছে তাদের জন্য কোন ধরনের প্রজ্ঞাপন জারী হয়নি। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত কিনা সামনে সমাবেশকে ঘিরে এটাই প্রশ্ন? মূলত কোর্টের যে কোন ধরনের প্রজ্ঞাপন জারী হয়নি এটাতে বিস্মিত হয়েছি। সমাবেশের ব্যাপারে একটা প্রজ্ঞাপন জারী হয়েছে, বিয়ের ব্যাপারে হয়েছে, কিন্তু কোর্টের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারী হয়নি যেখানে ডিসি মহোদয় থাকেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, রাজনৈতিক কারণে কারো সাফল্যকে হেয় করা যায় না। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার কোনো চেষ্টা করা হলে সেটা হবে এ জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। সেই গণতন্ত্র হত্যা করেছে আওয়ামী লীগ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় কোনো দিন শেখ মুজিবকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি। শহীদ।রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আওয়ামীলীগের এত গাত্রদাহ কেন? জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশের আর কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে আপনারা সম্মান করবেন বিএনপি সেটা বিশ্বাস করতে পারে না। জিয়াউর রহমানকে অগ্রাহ্য করা আর মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করা সমান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করা মানে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা।

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তির সভাপতিত্বে ও জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ’র পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি.নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম রব, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাবুদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, জাহিদ হোসেন বাবু, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ আলী সাকী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, তাজুল ইসলাম তাজু, সেলিম উদ্দিন, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গনি শিকদার, মুজিবুর রহমান রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন।

সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, মোহাম্মদ আলাউদ্দীন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজিম, সহ সম্পাদক বৃন্দ কমল জ্যোতি বড়ুয়া, সাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ নওশাদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হাফেজ কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোঃ সালাউদ্দীন, সাইফুদ্দিন যুবরাজ, গুলজার হোসেন মিন্টু, মোঃ নেজাম উদ্দীন, আশরাফ উদ্দীন, মোঃ ইদ্রিস, হোসেন উজ জামান, ইব্রাহীম খান, দেলোয়ার হোসেন, আবদুল আউয়াল টিপু, সাইদুল ইসলাম, সিরাজ সিকদার, মিজানুর রহমান দুলাল, আরিফ হোসেন, সদস্য লতিফুর রহমান সুমন, আবদুল আল মামুন, আজিজ চৌধুরী, জাহেরী মাসুদ, থানা যুবদলের সদস্য সচিব শওকত খান রাজু, যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, ইউনুছ মুন্না, মোঃ মিল্টন, ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ হাসান, মোহাম্মদ জাবেদ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ ইউনুছ, জহিরুল ইসলাম, মোঃ মুজাহিদ, শাহাদাত হোসেন রাসেল খান, এস এম আলীসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Advertisement