চিকিৎসক বুলবুল হত্যায় গ্রেপ্তার ৩

219

রাজধানীর মিরপুরে দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুলকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের এক বার্তায় বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে কিছু আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

তবে কখন কোথা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হল বা তাদের পরিচয় কী, সেসব বিষয়ে কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ কমিশনার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পরে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবেন।

সিসি ক্যামেরায় দেখা এই ২ ব্যক্তি ডা. আহমেদ মাহী বুলবুলকে ছুরি মারার পর পালান বলে পুলিশ মনে করছে।

গত রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়াপাড়ায় মেট্রোরেলের ২৭৮ নম্বর পিলারের কাছে ছুরিকাহত হন বুলবুল। তাকে প্রথমে ওই এলাকার আল হেলাল হাসপাতালে নিয়ে যান পথচারীরা। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা না পাওয়ায় নেওয়া হয় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ডা. বুলবুলের টাকা-মোবাইল খোয়া যায়নি, ছিনতাই নিয়ে সন্দেহ

৩৮ বছর বয়সী বুলবুল দন্ত চিকিৎসক হিসেবে মগবাজারে ‘রংপুর ডেন্টাল’ নামের একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখতেন। পাশাপাশি গত পাঁচ বছর ধরে ‘মেসার্স রংপুর ট্রেডার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও চালাতেন৷ বিএনপি ঘরানার চিকিৎসক বুলবুল ‘পথশিশু সেবা সংগঠন’সহ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনেও যুক্ত ছিলেন।

বুলবুলের স্ত্রী শাম্মী আক্তার বাদী হয়ে রোববারই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে সেখানে আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।

সেদিন ভোরে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে বুলবুল ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিলেন বলে প্রাথমিক ধারণা কথা বলেছিল পুলিশ।

তবে বুলবুলের সঙ্গে থাকা ১২ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোন খোয়া না যাওয়ায় পুলিশের ওই ধারণা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন তার শ্বশুর ইয়াকুব আলী।

Advertisement