জেনারেল হাসপাতালে বিশ্ব অ্যানেস্থেসিয়া দিবসের র‍্যালি ও আলোচনা সভা

141

বিশ্ব অ্যানেস্থেসিয়া দিবস-২০২৩ উপলক্ষে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে গতকাল ১৬ অক্টোবর সোমবার একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এর পর দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

Advertisement

সভায় বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন কুমার নাথ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিয়া) ডা. অসিন বড়ুয়া, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মৌমিতা দাশ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. জুহেব হাসান। হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স ও কর্মচারীরা র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ১৮৪৬ সালে ইথার এনেস্থেসিয়ার সফল প্রয়োগের পর এই দিনটিকে এনেস্থেসিয়া দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এবছর ১৭৭তম বিশ্ব অ্যানেস্থেসিয়া দিবস পালন করা হচ্ছে। যে কোনো অপারেশনের আগে রোগীকে অচেতন করতেই অ্যানাস্থেসিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অপারেশনের আগে রোগীর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা, অপারেশন চলাকালীন ও পরবর্তীতে রোগীকে ব্যথামুক্ত ও নিরাপদ রাখা ও প্রতি মুহুর্তে মনিটরিং, মুমূর্ষু রোগীর ইনটেনসিভ কেয়ার, জটিল দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার চিকিৎসা, বিভিন্ন রোগীর পেলিয়েটিভ কেয়ার সেবা প্রদানসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনেস্থেসিওলজিস্টরা।

তিনি বলেন, উন্নত ও আধুনিক এনেস্থেসিয়ার কারণেই আজ জটিল সার্জারিসহ কিডনি, লিভার ও হার্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নিরাপদভাবে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে।

Advertisement