সাতকানিয়া প্রতিনিধি: “ঈদের খুশিতে, মন খুলে আঁকি”এ প্রতিপাদ্যে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার গরিবারঝীলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো কাসেম আর্ট একাডেমীর ২য় বার্ষিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ।
রবিবার সকালে ঐতিহ্যবাহী লায়লা মছউদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চারটি গ্রুপে ১৬১ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় । প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এসময় লায়লা মছউদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জহির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আব্দুল আজিজ ও জসিমের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব মোজাম্মেল হক এবং আলপনা স্টিলের প্রোপ্রাইটর আক্তার হোসেন,ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান,আব্দুস সবুর,আইয়ুব আলী,মোঃ ফরিদ,মোঃ ইউসুফ,ব্যাংকার এনামুল হক,প্রবাসী আসিবুল হক আসিফসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের শিশুদের স্ক্রিন বা মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে শিল্প ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই। আজকের এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা প্রমাণ করে যে, আমাদের গ্রামীণ জনপদেও কতটা প্রতিভা লুকিয়ে আছে। শিশুদের মনের ভেতর যে সৃজনশীলতা ও ঈদের আনন্দ রয়েছে, তা তারা চমৎকারভাবে রঙ-তুলির মাধ্যমে ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছে। আমি বিশ্বাস করি, আজ যারা এখানে রঙ-তুলি হাতে মেধার স্বাক্ষর রাখছে, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমেই তারা একদিন বিদেশের মাটিতেও দেশের নাম উজ্জ্বল করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবদান রাখবে।”
সভাপতি’র বক্তব্যে জহির উদ্দিন বলেন,”আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের ঈদের আনন্দকে রঙ আর তুলির আঁচড়ে আরও রঙিন করে তোলা। গ্রামীণ অঞ্চলের শিশুদের মাঝে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত শিল্পপ্রতিভাকে বের করে আনতেই কাসেম আর্ট একাডেমী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ১৬১ জন শিক্ষার্থীর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আগামীতেও আমরা এর চেয়ে বড় পরিসরে এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন বজায় রাখব।”

















