৩৪ কূটনৈতিক নিয়ে বিশেষ ট্রেনে কক্সবাজারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

106

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ২৪টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মিশন প্রধানসহ ৩৪ জন কূটনৈতিক নিয়ে রেলে চড়ে কক্সবাজারে এসেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। সকালে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু টানেল পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই কার্যক্রম। 

Advertisement

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে বিশেষ ট্রেনে কক্সবাজারে এসে পৌঁছান তারা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এম্বেসেডরস আউট রিচ প্রোগ্রামের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, চীন, কোরিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, কসভো, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, ভ্যাটিকান, ভুটান, স্পেন, আর্জেন্টিনা, লিবিয়া, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, ফ্রান্স এবং এফএও, আইইউটি, একেডিএন আন্তুর্জাতিক সংস্থাগুলোর ২৪ জন মিশন প্রধানসহ ৩৪ জন কূটনৈতিক সদস্য এই আউটরিচ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের এই অঞ্চলের উন্নয়ন অবকাঠামো পরিদর্শন আর এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাছ থেকে উপভোগ করতে এসে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে বিদেশি বিভিন্ন মিশন ও সংস্থার এসব প্রতিনিধিদের।

কক্সবাজারে এসে আর্জেন্টিনার কূটনৈতিক মার্সেলো থিসা বলেন, ‘আমি খুব খুশি। প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম এসেছি। কক্সবাজারেও প্রথম। বাংলাদেশ সম্পর্কে আরও জানতে ভালোই লাগছে। এর আগে আমি শুধু ঢাকা সম্পর্কেই জানতাম।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক চার্লস ওয়েডলি বলেন, ‘এখানে আসার আগে আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টানেলে গিয়েছি। এখন প্রথম বারের মতো ট্রেনে করে কক্সবাজার যাচ্ছি। যা খুবই রোমাঞ্চকর।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সর্ম্পক উন্নয়নের পাশাপাশি এখানকার পর্যটন সম্ভাবনা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতেই এমন আয়োজন। এর মাধ্যমে জাতিগত সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগও নিতে চায় বাংলাদেশ।

এই সফরে মঙ্গলবার কক্সবাজারে ইনানীতে রাত্রিযাপন করবেন কূটনীতিবিদরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকত ও রাঙ্গকূট বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনের কথা রয়েছে।

এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে টানেলসহ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দেখে ট্রেনে করে কক্সবাজারে এসেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩৪ জন কূটনীতিক। তারা কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রকল্প, মেরিন ড্রাইভ সড়ক, সমুদ্রসৈকত, রামু বৌদ্ধ মন্দির, হিমছড়িসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করবেন। এতে করে কক্সবাজারের সুনাম বিশ্বজুড়ে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি পর্যটন শিল্প বিকাশে বিদেশী বিনিয়োগ আসবে।

Advertisement