নানা আয়োজনে চবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

394

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৫’ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে চবি ক্যাম্পাসে আজ (৫ আগস্ট ২০২৫) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনা সভা, ‘জাতীয় সংগীত ও জুলাইয়ের গান’ শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান, মঞ্চনাটক, ডকুমেন্টারি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

Advertisement

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চবি স্মরণ চত্বর হতে প্রশাসনিক ভবন পর্যন্ত বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। দুপুর ২টায় চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার ও আলোচনা সভা। সেমিনারের মূল প্রবন্ধের শিরোনাম ‘১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪: আমাদের বিজয়গাঁথা , আমাদের অহংকার।’ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন চবি অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও চবি সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ। বিকাল ৫টায় চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. তানভীর হায়দার আরিফের আবেগময় ও চমৎকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী।

আলোচনা সভায় প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ডিন প্রফেসর ড. মোঃ এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী ও চবি কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ। এতে শহীদ ফরহাদ হোসেনের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া ও শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার বাবা শ্রী রতন চন্দ্র তরুয়া বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, আজকের আলোচনা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। বিজ্ঞ আলোচকবৃন্দ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও বলেন, অনৈক্যের কারণে অতীতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এখনো অনৈক্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আওয়ামী লীগ ছাড়া সর্বদলীয় সরকার গঠন করলে আমি খুশি হতাম। পাঁচ বছর বা সাত বছরের জন্য জাতীয় সরকার গঠনের প্রয়োজন ছিল। তারাই সংস্কার করে দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারত।

তিনি বলেন, সবার আগে শিক্ষা সংস্কার দরকার। মেরুদণ্ডের ব্যথার চিকিৎসা না করে হাতের আঙুলের চিকিৎসা করে কোনো ভালো ফল আশা করা যায় না। এখনো সুযোগ আছে। সরকারের উচিত শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা।

উপাচার্য আরও বলেন, দেশের আমলাতন্ত্রের চরিত্র আগের মতই আছে। এদের স্বভাব পরিবর্তন হয়নি। শুধু এক অফিস থেকে অন্য অফিসে বদলি হয়েছে মাত্র। এ অবস্থায় অন্য সরকার আসলে দেশ ম্যাসাকার হয়ে যাবে। তিনি সংস্কার করে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। উপাচার্য সকলকে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ঐক্য গড়ে তুলতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

উপাচার্য আরও বলেন, মানুষের ভোটাধিকার বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার হরণ করেছিল। হার্ভার্ড ইলেক্টোরাল ইন্টিগ্রিটি প্রজেক্টের রিপোর্টে ফ্যাসিবাদী সরকারের দিনের ভোট রাতে নেয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অন্তত বিশ্ববিদ্যালয়কে বৈষম্যমুক্ত করতে ভালো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিচ্ছি। তারপরও নেগেটিভ নিউজ হচ্ছে। যেটা দেশের জন্য মঙ্গল, সেটা করুন। উপাচার্য সকলকে দেশের স্বার্থে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।

প্রবন্ধ উপস্থাপক প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৯৪৭ সালের বিজয় না হলে ১৯৭১ সালের বিজয় সম্ভব হতো না। আবার ২০২৪ না হলে ১৯৪৭ ও ১৯৭১ এর বিজয় হতো অর্থহীন। আমরা ভারতের দাস হয়ে বন্দি হয়ে থাকতাম। অতএব ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ এর বিজয় বাংলাদেশের মানুষের হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের বিজয়। এ বিজয় আমাদের জনগণের মুক্তির ইতিহাসের একটি অবিচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা। এই ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষের বিজয়গাঁথা, এদেশের আপামর জনতার অহংকার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার নামে ২য় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের নামকরণ করেছি। শহীদ ফরহাদ হোসেনের নামেও চবির একটি বৃহৎ হলের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী প্রশাসন আমার বাসার সামনে সিসিটিভির ক্যামেরা বসিয়ে আমার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতো। গোয়েন্দা সংস্থা আমার মোবাইল ফোন রেকর্ড করতো নিয়মিত। শত বাধার মধ্যেও জুলাই বিপ্লবে ৫৭ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে একত্রিত হয়েছিলাম।

উপ-উপাচার্য বলেন, ‘২৪ এর স্বাধীনতার মূল্য দিতে হলে টেকসই সংস্কারের প্রয়োজন। সবার আগে সংস্কার, তারপর বিচার, এরপর নির্বাচন। এমনভাবে সংস্কার করতে হবে যাতে যুগ যুগ ধরে এটা জাতি ভোগ করতে পারে। তিনি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সংস্কারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে উপ-উপাচার্য মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আজকের এ আলোচনায় শহীদ তরুয়ার বাবা এবং শহীদ ফরহাদ হোসেনের বড় ভাইয়ের বক্তব্যের মাধ্যমে শহীদ পরিবারের কান্না আপনারা বুঝতে পেরেছেন। জুলাই বুঝতে হলে শহীদ পরিবারের কান্না ও কষ্ট অনুভব করতে হবে। ফ্যাসিস্টদের বিচার করতে পারলেই শহীদ পরিবারের কান্না থামানো যাবে এবং নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উপ-উপাচার্য বলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এদেশেরই কিছু মানুষ। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ানক মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে অনেকে ভয় পেয়েছিল। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে ছাত্ররা বুঝে গিয়েছিলো অভিভাবকরা কিছু করতে পারবে না। আমাদের ছাত্র-জনতা রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে অর্জন করেছে নতুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। অনেক ত্যাগের পর অর্জিত স্বাধীনতা ধরে রাখতে হলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী বলেন, শহীদরা বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। বিগত অনেকগুলো বছর আমরা অন্ধকারে ছিলাম। তিনি আরও বলেন, ১৬ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ছোট কমিটিতেও ছিলাম না। আমরাও বৈষম্যের শিকার হয়েছি। তরুয়া, ফরহাদরা বুক পেতে দেয়ায় আমরা এখন এখানে দাঁড়াতে পেরেছি। নিজেদের দেশের মানুষ হয়ে কিভাবে নিজেদের মানুষের উপর গুলি চালাতে পারে? সবাই ফরহাদ, তরুয়া হতে পারে না। দীর্ঘ বছর পর আমরা ভয়ের সংস্কৃতি থেকে বের হতে পেরেছি শহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে। তিনি সকলকে জুলাই চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানান।

স্বাগত বক্তব্যে চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের স্মৃতি এখনো মনে আসলে কান্না আসে। দীর্ঘ পনের বছর আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিলাম। ক্যাম্পাসে ছিল অস্ত্রের মহড়া। সমাজে ছিল নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, গুম, খুনসহ বিচারহীনতা। পুরো সমাজ ব্যবস্থা ছিল কলুষিত। ঘরে ঘরে ছিল ভারতীয় সংস্কৃতির আধিপত্য। এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে এসেছিল আমাদের জুলাই যোদ্ধারা। তিনি আরও বলেন, আমরা এক দানবকে (ফ্যাসিবাদী হাসিনা) বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু বিশৃঙ্খলা এখনো আমাদের সমাজকে ঘিরে রেখেছে। লোক সমাগম দেখালে হবে না, সকলকে একত্রিত থাকতে হবে। তিনি সকলকে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।

আলোচক চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার নির্যাতনের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার তথা নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার দেশে দুর্নীতি, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চালিয়ে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়েছিল। আমরা আন্দোলনে সফল হলেও আমাদেরকে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদীরা দেশে আবার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তা প্রতিহত করতে হলে আমাদেরকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিভাজন চাই না, ঐক্য চাই। তিনি ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ গঠন করার আহ্বান জানান।

প্যানেল আলোচক চবি কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশরা আলাদা করেছিল আমাদের দুর্বল করার জন্য। কিন্তু হিতে বিপরীত হলো। পাকিস্তানের শোষণে মানুষ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার শিকার হয়েছে। লর্ড ক্লাইভের মাত্র ৩ হাজার সৈন্য সিরাজউদ্দৌলার ৫০ হাজার সৈন্যকে পরাস্ত করতে পেরেছিল অনৈক্য ও অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে। এ থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্যথায় ভয়াবহ পরিণতি হবে। তিনি আরও বলেন, “১৯৪৭ হলো দেশ ভাগের আন্দোলন, ১৯৭১ হলো জাতিসত্তার এবং জাতীয় ও আত্মপরিচয়ের আন্দোলন। আর ২০২৪ হলো আমাদের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন।” তিনটি আন্দোলনই একই সূত্রে গাঁথা।

শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার বাবা শ্রী রতন চন্দ্র তরুয়া বলেন, আমার ছেলে নতুন বাংলাদেশ গড়তে শহীদ হয়েছেন। আমি গর্বিত ও আনন্দিত যে, আপনারা আমার পাশে আছেন, প্রয়োজন হলে আরও পাশে চাই। আপনারা আমার ছেলের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক কিছুই করেছেন। এ জন্য আমি গর্বিত ও সম্মানিত। আপনারা আমাকে যেকোনো সময় ডাকলে আমি আসবো। তিনি আরও বলেন, আমি বিচার চাই তাদের, যারা এত বড় নৃশংসতা চালিয়েছে। আমি বিচার দেখে যেতে চাই হত্যাকারীদের। হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে পারলেই আমার আত্মা শান্তি পাবে।

শহীদ ফরহাদ হোসেন এর বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ব্যথার এবং গৌরবের। মা একটানা তিন দিন সেন্সলেস হয়, আবার জ্ঞান ফিরে আসে। পরিবারে সবার ছোট হলেও আমার ছোট ভাই বেশ দায়িত্বশীল ছিল। সে সবদিক দিয়ে একজন আদর্শ মানুষ ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো, তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তো সবসময়। সে আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অবস্থায় সব টিশার্টও নিয়েছে, এখন আর কেউ নিবে না। জুলাই অভ্যুত্থানে সবাই এক জায়গায় মিলিত হয়েছি। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানসমূহে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টর, বিভাগীয় সভাপতি ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন অফিস প্রধান, কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement