প্রথম ইনিংসে ১৯২ রানের লিড পাওয়ার পরে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিডের পরিমাণ ২৩৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭ ওভারে ৪৫ রান সংগ্রহ করে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। বল হাতে টাইগারদের পক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ ৫টি ও সাকিব আল হাসান ৪টি উইকেট শিকার করেছেন।
তৃতীয় দিন শেষ বিকালে বাংলাদেশ ব্যাটিং করেছে ১৭ ওভার। সাইফ হাসান ও সাদমান ইসলাম দেখেশুনে শুরু করেন। দিনশেষে সাদমান ২২ ও সাইফ ২০ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭ ওভারে ৪৫ রান। লিডের পরিমাণ ২৩৭ রান।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ৪৬৮ রান। সর্বোচ্চ ১৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লিটন দাস ৯৫, তাসকিন আহমেদ ৭৫ ও মুমিনুল হক ৭০ রান করে রেখেছিলেন বড় অবদান। ব্যর্থ হয়েছিলেন দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান।
জবাবে জিম্বাবুয়ে দুর্দান্ত শুরু করলেও সেই ধারা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। ১৭৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পরে তারা অলআউট হয় ২৭৬ রানে। স্বাগতিকদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন অভিষিক্ত ওপেনার টি কাইটানো। তিনি খেলেন ৩১১ বলের ধৈর্যশীল ইনিংস। মাত্র ৯২ বলে ৮১ রানের ওয়ানডে ঘরানার ইনিংস খেলেন ব্রেন্ডন টেইলর। কাইটানো ও টেইলর গড়েছিলেন ১১৫ রানের জুটি। তারা আউট হওয়ার পরেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের পক্ষে ৫টি উইকেট শিকার করেছেন মিরাজ। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম ৫ উইকেট শিকার। জিম্বাবুয়ের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৫ উইকেট শিকার করলেন মিরাজ। সাকিব ৪টি ও তাসকিন নেন ১টি উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস : বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ৪৬৮/১০ (১ম ইনিংস- ১২৬ ওভার)
রিয়াদ ১৫০*, লিটন ৯৫, তাসকিন ৭৫, মুমিনুল ৭০, সাদমান ২৩, মুশফিক ১১, সাকিব ৩, শান্ত ২, সাইফ ০;
মুজারাবানি ৪/৯৪, তিরিপানো ২/৫৮।
জিম্বাবুয়ে ২৭৬/১০ (১১১.৫ ওভার)
কাইটানো ৮৭, টেইলর ৮১, শুম্বা ৪১, চাকাবভা ৩১*, মেয়ার্স ২৭;
মিরাজ ৫/৮২, সাকিব ৪/৮২।
বাংলাদেশ ৪৫/০ (১৭ ওভার)
সাদমান ২২*, সাইফ ২০*।

















