ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে চট্টগ্রামের অন্যতম সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত। প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-স্বজন নিয়ে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। তবে সরু সড়ক ও যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। এ অবস্থায় বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছড়া ফেরিঘাট সড়ক প্রশস্ত করার দাবি জানিয়েছেন পর্যটকরা।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে দেখা গেছে, সমুদ্র সৈকতের মাইক্রোস্ট্যান্ড থামিয়ে রাখা হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক গাড়ি।
জানা গেছে, অনেকে রিজার্ভ সিএনজি চালিত অটোরিকসা, ব্যটারচিালিত রিকসা, মোটরসাইকেল যোগে শত শত পর্যটক এখানে এসেছেন।
ওমান প্রবাসী আমির হোসেন রানা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থাকছি; ঈদে তেমন দেশে থাকতে পারি না। এবার পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ বাড়িতে করেছি। অনেক বছর পর বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে এসে অনেক ভালো লাগছে।
কুমিল্লার চান্দিনা থেকে বেড়াতে আসা ইমতিয়াজ, রুবেল, ইসমাইল, সালমান জানান, তারা প্রতি বছর ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে বেড়াতে যান। এবারের কোরবানির ঈদে মিরসরাই-সীতাকুণ্ডে বেড়াতে এসেছেন। সকালে খৈয়াছরা ঝরনায় গিয়েছি, এখন বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে এসেছেন।
চট্টগ্রাম শহর থেকে স্বপরিবারে বেড়াতে আসা বেসরকারি চাকরীজীবী মো. বাহার উদ্দিন বলেন, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এতো মানুষ আসে। অথচ রাস্তাটি একেবারে ছোট। মহাসড়ক থেকে সৈকতে যেতে ১০ মিনিট সময় লাগার কথা, সে জায়গায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে যানজটের কারণে। রাস্তাটি বড় করা প্রয়োজন। তা না হলে আমাদের মতো পর্যটকদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
কীভাবে যাবেন?
দেশের যে কোনো স্থান থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া বাজারে নামতে হবে। এরপর সিএনজিচালিত অটোরিকসা, ব্যাটারিচালিত রিকসা যোগে রিজার্ভ অথবা লোকাল বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে স্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে দুমিনিটে সৈকতে পৌঁছানো যাবে।

















