এক বছরে ৯ লাখ টাকা র‌য়্যালটি পেল আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার

692

প্রয়াত কিংবদন্তি ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চু ২০১৭ সালে নিজের কিছু গানের কপিরাইট নিবন্ধন করেছিলেন। দুই বছর পর তার ২৭২টি গান সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় কপিরাইট অফিস। আর সেই গান থেকে এক বছরে আয় হয়েছে ৫ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় চার লাখ টাকা। আজ মঙ্গলবার সেই সম্মানী তুলে দেওয়া হয়েছে এই প্রয়াত এই কিংবদন্তীর পরিবারের হাতে।

Advertisement

এ ছাড়া দুটি মোবাইল অপারেটর ও স্বাধীন অ্যাপস নামের সংগীত বিষয়ক একটি প্রতিষ্ঠান অগ্রিম রয়্যালটি হিসেবে আরও ৫ লাখ টাকা প্রদান করে। আইয়ুব বাচ্চুর এই ২৭২টি গান তারা তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করবে। মাসিক হারে রয়ালটি পাবে আইয়ুব বাচ্চু পরিবার।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর প্রয়াত হন এই কিংবদন্তি। মৃত্যুর আগে তিনি অনলাইনে কিছু গান কপিরাইট নিবন্ধন করেছিলেন। পরে ২০২০ সালে ১৮ অক্টোবর তার ২৭২টি গান সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রয়্যালটি হস্তান্তর করা হয় আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের হাতে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডের চেয়ারম্যান সাবিহা পারভীন।

আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনার হাতে এটি তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু কপিরাইটস নিয়ে কাজ করেছিলেন। আমরা তার সন্তানের হাতে অন্তত উনার প্রাপ্য তুলে দিতে পেরেছি। ভবিষ্যতে আর অনেক শিল্পীর জন্য কাজ করবে সরকার।’

এ সময় আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু চলে যাবার প্রথম দুই বছর আমরা কী করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তার গান কীভাবে ভক্তের কাছে পৌঁছাবে, সংরক্ষণ হবে বা সন্তানরা কীভাবে প্রাপ্য পাবে ভেবে পেতাম না। প্রধানমন্ত্রীসহ কপিরাইট অফিসকে ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য।’

অনুষ্ঠানে গায়ক ও কপিরাইট বিশেষজ্ঞ জুয়েল মোর্শেদ গত এক বছরে আইয়ুব বাচ্চুর ডিজিটাল রেভিনিউ প্রজেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন। এক বছরে ৫ হাজার ডলার এলেও আগামী বছর এটা ২০ হাজার ডলার (১৬ লাখ টাকা) ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান মোর্শেদ।

Advertisement