পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম।
আজ রোববার (২ মে) মাহবুবের রহমান শামীমের একান্ত সচিব মোঃ আজম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবনকে সুন্দর, পরিশুদ্ধ ও সংযমী করে গড়ার লক্ষ্যে মোমিন মুসলমানেরা মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে ঈদুল ফিতর সমাগত। বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুলফিতর। উৎসব মানুষের আনন্দময় স্বত্তার জাগরণ ঘটায়। তার আত্মাকে মিলনের বোধে উদ্দীপ্ত করে। ঈদুল ফিতরের উৎসবে সমাজের সকল ভেদরেখা ও সীমানা অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলন ঘটায় ও সৃষ্টি করে পরষ্পরের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছাবোধ। ধনী-গরিব, উচু-নিচু নির্বিশেষে সকল মানুষকে নিবিড় ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করে। হানাহানি, হিংসা, বিদ্বেষ ও তিক্ততার গ্লানি থেকে মানুষের মনকে এক স্বর্গীয় শান্তি ও সম্প্রীতির বোধে উদ্দীপ্ত করে ঈদুল ফিতরের উৎসব। তাই এই উৎসবের দিনে প্রতিটি মুসলমান নর-নারী সৌহার্দ্যরে বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আনন্দকে একত্রে উপভোগ করতে হবে।
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর নির্মল আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মর্মবাণী মানবজাতির কাছে পৌছে যায় তা হচ্ছে ‘সকলের তরে সকলের আমরা’। এই মর্মবাণী মানসিক কদর্য, অন্যায় ও নিষ্ঠুর সামাজিক অসাম্যকে অতিক্রম করে এক নিবিড় ভাতৃত্ববোধের প্রেরণা জাগায়। আর এই প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে সমাজের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র, অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া মুসলমান হিসাবে আমাদের কর্তব্য।
তিনি আরও বলেন, ঈদের এই খুশির দিনে আমরা বেদনার্ত, কারণ আমাদের মাঝে নেই গণতন্ত্রের প্রতীক, অধিকারহারা মানুষের আশা-ভরসার প্রেরণা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নিষ্ঠুর প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তাঁকে প্রায় ছয় বছর ধরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। এই দিনে আমরা তাঁর মুক্তি ও সুস্থতার জন্য দোয়া করবো। চাঁদাবাজীর জুলুম, সন্ত্রাসের নানা ডালপালা এবং জিনিসপত্রের অভিঘাত সত্ত্বেও ঈদ আমাদের জাতীয় জীবনে সংস্কৃতির দ্যোতক, আবহমান কাল থেকে শুভেচ্ছা ও আনন্দের আদান-প্রদান। ঈদুল ফিতরের দিনে আমরা মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে মোনাজাত করি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য।

















