মিরসরাই প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কঠোর নির্দশনাকে উপেক্ষা করে বহাল তবিয়তে মিরসরাইয়ের অবৈধ অনুমোদনহীন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার। ৭২ ঘন্টা সময় বেধে দেয়া হলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লিনিক ও ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিনহাজুর রহমান জানান, দাপ্তরিক কাজে ও জরুরী মিটিং থাকায় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। তবে দাপ্তরিক কাজগুলি সম্পন্ন করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে ফিরে এসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করে উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মিরসরাই প্রাইভেট হাসপাতাল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কমপোর্ট হাসপাতালের পরিচালক নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের এসোসিয়েশনে ২৮ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার আছে। আমার প্রতিষ্ঠানের সকল কাগজ পত্র নবায়ন করা আছে। তবে উপজেলার বেশ কিছু ক্লিনিকের কিছু সমস্যা আছে। আমাদের প্রতি ৩ মাসে সমন্বয় সভা হয়। সভায় আমি সকল হাসপাতাল মালিককে সচেতন করার চেষ্টা করি। তারা যেন এ ব্যাপারে সজাগ থাকে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুর রহমান জানান, এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যদি অভিযান পরিচালনা করে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবো।

















