চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা শামসুল হকের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শামসুল হক স্মৃতি সংসদ ও পরিবারবর্গের এর উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। প্রথম দিনের খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দ্বিতীয় দিনে দুস্থ মানুষের মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মরহুম শামসুল হক দলের জন্য যে শ্রম ও ত্যাগ করে গেছেন দল তা আজীবন স্মরণ রাখবে। দলের দুঃসময়ে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ শরীর নিয়ে কারাগার বরণ করতে হয়েছে শামসুল হক কে। দলের কর্মীদের প্রতি শামসুল হকের ভালোবাসা ছিল অকৃত্রিম। শামসুল হক ছিলেন কর্মী গড়ার কারিগর। কিন্তু আমরা তাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছি। দলের এই দুঃসময়ে শামসুল হকের মত নেতার খুব প্রয়োজন ছিল। শামসুল হক স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে যারা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন আমরা মহানগর বিএনপি’র পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শামসুল হক যেভাবে দল এবং কর্মীর জন্য কাজ করে গেছেন ঠিক তেমনিভাবে আপনাদেরকে এক এক জন শামসুল হক হিসেবে দলের দুঃসময়ে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি আজ বাদে যোহর শামসুল হকের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শামসুল হক স্মৃতি সংসদ ও পরিবারবর্গের এর উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা শামসুল হক সারাজীবন নিরলসভাবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। কর্মী গড়ার কারিগর শামসুল হকের ত্যাগ আমরা কখনো ভুলতে পারবো না। এই এনায়েত বাজার এলাকার সর্বস্তরের মানুষ তাকে ভালোবাসতো।তার মৃত্যুতে দলের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা কখনোও পুরণ হবার নয়।
শামসুল হকের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে
শামসুল হক স্মৃতি সংসদ ও পরিবারবর্গের
এর উদ্যোগে এনায়েত বাজার শাহী জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের অংশ গ্রহণ করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম, মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মো. মিয়া ভোলা, সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস কে খোদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, হারুন জামান, ইকবাল চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, সদরঘাট থানা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. সালাউদ্দিন, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল হারুন, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম, চট্টগ্রাম জেলা ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক মো. আলমগীর, সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মহাসিন, ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরীফুল ইসলাম তুহিন, মরহুম শামসুল হকের ভাই এনামুল হক রাজু, ছেলে আবু সুলতান সানি প্রমুখ।
















