অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন: ডা.শাহাদাত

347

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই সরকার সাজানো মামলায় রায় দিয়ে অন্যায় ভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রেখেছে। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। জনগণের ওপর আস্থা নেই বলে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে সরকার। ৫ জানুয়ারি ও ৩০ ডিসেম্বর ভোটার বিহীন একতরফা কারসাজির নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ ঘৃণাভরে বর্জন করেছেন। বর্তমান সরকার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। এখন নির্বাচন মানে আতঙ্ক আর বিরোধী মতের উপর মামলা, হামলা, নির্যাতন, দিনের ভোট রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটেনা। সরকারের প্রশাসন ও দলীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে কেন্দ্র দখল করে জনগনের ভোটাধিকার হরন করা হয়। এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে সরকারকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস সহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে।

Advertisement

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে বেগম খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস সহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিমঞ্চ চট্টগ্রাম মহানগর এর উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোট ডাকাতির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা সরকার এখন নির্বাচনকে হাস্যরসে পরিণত করেছে। স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিপন্থী কাজে সরকার প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ব্যবহার করে স্বাধীনতার চেতনাকে ধংস করেছে। এ ফ্যাসিবাদী সরকার জনগনকে ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্রের লেবাসে অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। ভোট ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকারকে নিয়তান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। তার জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে জনবিস্ফোরণ ঘটাতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগন বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ভোট ডাকাতির সরকার জোর করে ক্ষমতায় আছে। জনগনের কাঁধে বন্দুক রেখে গণতন্ত্র হরণ করে চলছে। স্বাধীনতার চেতনার কথা বলে স্বাধীনতা হরণ করছে আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের দলীয় সংগঠন পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের ইতিহাসে আওয়ামিলীগের অধিনে নির্বাচন ছিল বহুল বিতর্কিত।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিমঞ্চ
চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহবায়ক মারুফুল হক চৌধুরী (মারুফ) এর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মুক্তিমঞ্চ এর যুগ্ম আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার সঞ্চালনায প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, ইয়াসিন চৌধুরীর লিটন, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, সদস্য আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, মোঃ কামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা এম এ হাসেম রাজু,নগর বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মুক্তিমঞ্চ এর আহ্বায়ক এডভোকেট এম আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব এম লোকমান শাহ, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মুক্তিমঞ্চ কেন্দ্রীয় যুগ্ন আহবায়ক ও বান্দরবান জেলা মুক্তিমঞ্চের আহবায়ক মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিমঞ্চ কেন্দ্রীয় নেতা শফিউল ইসলাম খান মাহবুব, আমিনুল হক রিপন, আজিম উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন সেলিম, চট্টগ্রাম মহানগর দেশনেত্রী মঞ্চ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন কাজী ইসমাইল, নূর নবী মিলন, হাসান মনসুর, মোঃ ইদ্রিস, যুগ্ম সদস্য সচিব মীর খালেদ সায়ান,লায়ন জিয়াউল হক সোহেল, ডা. মেহেদী হাসান, আলাউদ্দিন আলো, আবুল হোসেন, নেয়ামত উল্লাহ সবুজ, আব্দুল হক, সদস্য ডা. রাহাত উদ্দিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Advertisement