চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
শোক বার্তায় শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমেদ আমার বাবা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুসের সাথে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে নিদারুণ নির্যাতন সহ্য করেছেন। সেখান থেকে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যুবকদের সংগঠিত করতে শেখ ফজলুল হক মনির নির্দেশে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক ছিলেন। তিনি কিছুদিন আগেও এক আলাপে আমাকে বলছিলেন স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনীতির ইতিহাসে চট্টগ্রামের অনেক বিষয় বাদ পড়েছে, সেগুলো তিনি লিখে যেতে চেয়েছিলেন।
সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোসলেম চাচা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সুলতান-উল কবির চৌধুরী, আতাউর রহমান কায়সার সহ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতৃবৃন্দের সাথে মাঠে, ময়দানে, রাজপথে, আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে সংগ্রামী ভুমিকা রেখেছেন। কিছুদিন আগেও বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামে জনসভায় আসলে তিনি দিনরাত জনসভাকে সফল করতে নিজের চিকিৎসা, বিশ্রামের, কথা বাদ দিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রমে ব্যাপকভাবে সক্রিয় ছিলেন। এতে তিনি বেশ ক্লান্ত হয় পড়েন, কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সম্মেলনে সেই অসুস্থ শরীর নিয়েও উপস্থিত ছিলেন।
মোসলেম উদ্দিনের ইন্তেকালে জাতি একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হারালো। এই ক্ষতি অপূরণীয়। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি ও শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
















