সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সুযোগ-সুবিধাগুলো পর্যবেক্ষণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসময় তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় পরিণত করার কথা জানান।
তিনি বলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হাওয়ায় এখানে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনায় আহত রোগী আসেন। এ কারণে এখানে ট্রমা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আলাদা করে ট্রমা সেন্টার স্থাপন সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয় সাপেক্ষ। তাই আলাদা ভবন না করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটারকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি দিয়ে উন্নত করা হবে। যাতে দুর্ঘটনায় আহত যে কোন ধরনের রোগীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এস এম আল মামুন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক খুরশিদ আলম, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. সামিউল ইসলাম, লাইন ডাইরেক্টর সি ডি সি ডা. নাজমুল ইসলাম মুন্না, পরিচালক হাসপাতাল ও ক্লিনিক ডা, আবু হোসেন মোহাম্মদ মাইনুল হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. মহিউদ্দিন, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী , সহকারী পরিচালক সমন্বয় ডা আবু সৈয়দ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, সীতাকুণ্ড পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম ও সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর উদ্দিন রাশেদ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউল কাদের, সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাব সভাপতি সৌমিত্র চক্রবর্তী সাধারণ সম্পাদক লিটন কুমার চৌধুরীসহ উপস্থিত ছিলেন উপজেলার ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন হাসপাতালটির জরুরি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, জিন এক্সপার্ট ও রোগীর ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। নিজের ডায়াবেটিস পরীক্ষা শেষে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন সামন্ত লাল সেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির অবস্থান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এখানে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনায় আহত রোগীরা আসেন। এ কারণে এখানে ট্রমা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আলাদা করে ট্রমা সেন্টার স্থাপন সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয় সাপেক্ষ। তাই আলাদা ভবন না করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটারকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি দিয়ে উন্নত করা হবে। যাতে দুর্ঘটনায় আহত যে কোনো ধরনের রোগীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়।
এছাড়া সংসদ সদস্যের দাবির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে এই হাসপাতালকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।















