সিএমপি’র সন্ত্রাসী তালিকায় নেতাকর্মীদের নাম থাকায় যুবদলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

362

সিএমপি কর্তৃক সদ্য প্রকাশিত সন্ত্রাসী তালিকায় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম খান, একরামুল হক ছুট্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন, পাহাড়তলী থানা যুবদলের আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, ডবলমুরিং থানা যুবদলের বজল আহমেদ, কোতোয়ালি থানা যুবদলের মোঃ হাসান, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সদস্য উজ্জল ও ২৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের মাহবুবের নাম দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।

Advertisement

নেতৃদ্বয় এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সারাদেশ যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার ভয়াল থাবায় বির্পযস্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামিলীগ তখন ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার ফন্দি -ফিকিরে ব্যস্ত। মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ রাতা-রাতি নেতা হননি। বীর চট্টলার রাজপথ ই তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে শুরু করে ওয়ার্ড, থানায় নেতৃত্ব দিয়ে একজন দক্ষ সংগঠক হিসাবে নগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন সাবেক ছাত্রদলনেতা সেলিম খান ও একরামুল হক ছুট্টু । মোহাম্মদ ইয়াছিন নগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক, কুতুবউদ্দিন পাহাড়তলী থানা যুবদলের আহবায়ক,বজল আহমেদ, মোঃ হাসান, উজ্জল, মাহবুব সবাই রাজপথের পরিচিত মুখ।বীর চট্টলার জিয়ার আর্দশের কৃতি সন্তান। যুবদল সহ বিরোধী দল-মতের নেতা-কর্মীদের নামে অসংখ্য মামলা। প্রায় সবগুলিই রাজনৈতিক মামলা

নেতৃদ্ধয় বলেন, ইউনিট যুবদলের রাজনীতি থেকে হাটি-হাটি পায়ে রাজপথের অগ্নিপরীক্ষায় যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই আজ মহানগর যুবদল, থানা ও ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করছেন প্রত্যেকেই যুবদলের দক্ষ সংগঠক। সিএমপি সন্ত্রাসী তালিকা প্রণয়নের নামে কৌশলে চট্টগ্রাম বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম দূর্বল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। গায়েবী মামলার জালে নগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নামে অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা। রাজনৈতিক মামলার আসামী আর সন্ত্রাসী এক নয়। সন্ত্রাসী কারা অতীত লিস্ট ঘাটলেই বের হয়ে আসবে। আওয়ামীলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আড়াল করতেই বিএনপি দমনের নামে আজ এক মরনখেলায় মেতে উঠেছে পুলিশ প্রশাসনের একদল সুবিধা ভোগী। রাজপথে মোকাবেলায় অক্ষম আওয়ামী লীগ গায়েবী মামলা, গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল, মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেও আজ তাদের কপালে চিন্তার ভাজ। বিদেশী প্রভুর দয়ায় দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে । বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের এই দলে কোন সন্ত্রাসীর জায়গা নেই । বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনে আছে এক ঝাক জাতীয়তাবাদী আদর্শের বীর পুরুষ, দেশ প্রেমিক জিয়ার সৈনিক। সন্ত্রাসী কারা লালন করে, কারা সাজা প্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের সাজা মওকুফ করে দেশবাসী অবগত আছেন। ক্ষমতালোভী আওয়ামী লীগ আজ দিশেহারা। একদিকে উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রণয়ন করে মেগা লুটপাট করার মাষ্টারপ্ল্যান ও করোনা মোকাবেলার ব্যর্থতা ঢাকতে নানা রকম নাটক মঞ্চায়নে ব্যস্ত। মানুষের দৃষ্টি সরানোই মূল লক্ষ্য। নগর যুবদল নেতৃবৃন্দ এ সময়, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রকাশ করার আহবান জানান। দেশ ও জাতীর বৃহত্তর স্বার্থে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনের অনুরোধ জানান। পুলিশ একটি দলের অনুগত হয়ে কাজ করতে পারে না। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল সোনালী ইতিহাস রয়েছে।

Advertisement