চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ইস্যুতে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শাখা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গত ০৫ ফেব্রুয়ারি পলাতক ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনার উদ্ধত আস্ফালনের প্রতিবাদে ধানমন্ডি ৩২ সহ দেশব্যাপী ফ্যাসিবাদের চিহ্ন মুছে ফেলার ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীরা হাসিনা হলে বিদ্যমান নৌকা উচ্ছেদ করতে যায়। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য মতে, নৌকা উচ্ছেদের পূর্বেই হল গেইট বন্ধ ছিলো। এরপর তারা নৌকা উচ্ছেদ করতে শুরু করলে কতিপয় মেয়েরা হলের বিকল্প ছোট গেইটের তালা ভেঙে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও হয়। এতে শিক্ষার্থীরা হতবিহ্বল হয়ে চলে আসে। পিছনে থাকা দুই শিক্ষার্থীকে সাইকেল সহ আটকে রেখে আহত করে।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, “প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভিডিও ফুটেজ থেকে জানতে পারি যে, ঘটনাস্থলে শিক্ষকদের সাথে নারী শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. কোরবান আলীর গায়ে হাত তোলা সহ কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ০৯ ফেব্রুয়ারি’২৫ তারিখে এই ঘটনার নিন্দা ও বিচারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির।” [সূত্র- ৪১/০৬(০২/২৫)]
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে বিচারকার্য শুরু করায় সাধুবাদ জানাই তবে প্রশাসন বিচারকার্যে তড়িঘড়ি না করে আরেকটু সময় নিতে পারতো। আমরা মনে করি, শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া উচিত। পাশাপাশি প্রশাসনের দায়িত্বশীল জায়গা থেকে ব্যক্তিগত মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া উচিত।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সর্বদা সোচ্চার। কেবল আদর্শিক স্বার্থে অন্যায় এবং অপরাধীকে দায়মুক্তি দেওয়ার অপচেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সকলকে ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরোধিতায় এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
















