১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান

103

আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনে এ তথ্য জানান।

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে কর্মসূচি শুরু হবে। সুষ্ঠু বাস্তবায়নে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির প্রধান থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সমন্বিত সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে করা হবে। তবে আর্থিক তথ্য না থাকায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ লক্ষ্যভিত্তিক ত্রুটি থাকায় অর্থ অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একীভূত করে এ ত্রুটি কমানো সম্ভব হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হলে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না; তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রাপ্য সুবিধা নিতে পারবেন।

প্রথম ধাপে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গঠিত কমিটি পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা পরিবারপ্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন।

Advertisement