রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান সর্বোচ্চ ৩১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম রিজিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম আব্দুল গাফফার মিয়াজী এবং সারিস্ত বিনতে নুর, যারা চট্টগ্রাম রিজিয়নের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার শেখ নিজাম উদ্দিন, হৃষিকেশ চৌধুরী, সৈয়দ ইরফানুল আলম, নূর মোহাম্মদ, এস এম শহিদুল্লাহ এবং আশীষ রায় চৌধুরী।
এরই প্রেক্ষিতে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের আহ্বায়ক আবদুল গফফার মিয়াজী রিহ্যাবের পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রিহ্যাবের নিজ কার্যালয়ে এক উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ আবদুল গফফার মিয়াজী সহ রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির নবনির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দকেও ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য এস এম তৈয়ব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তারেকুর রহমান, আকিবুল ইসলাম, ইফতিয়ার উদ্দিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীরা।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আবদুল গফফার মিয়াজী দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের নাগরিক সমস্যা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। সততা, নিষ্ঠা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে তিনি সমাজে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
তারা আরও বলেন, আবাসন খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ নেতৃত্ব অপরিহার্য। নবনির্বাচিত এই নেতৃত্ব চট্টগ্রামের আবাসন খাতকে আরও গতিশীল ও উন্নয়নমুখী করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করে আবদুল গফফার মিয়াজী নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। আমি সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবো এবং আবাসন খাতের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবো।”
অনুষ্ঠানে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
















