নগরীর খুলশী থানাধীন জাকির হোসেন রোডস্থ চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘বাংলাদেশে ভেক্টর বাহিত রোগের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন ও প্রশমনে সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা আজ ২৩ জুন মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলার প্রশাসন বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সিভাসু’র অধ্যাপক শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিভাসু’র ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, সিভাসু’র ভেটেরিনারী মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক গৌতম কুমার দেবনাথ।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ জালাল উদ্দিন সরদার। প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন হাঙ্গেরীর ইএলটিই’র ভেক্টরেট প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ড. গাবর কেমেনেসী, চমেক হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ডা. ইমরান বিন ইউনুস, আইইডিসিআর’র এন্টোমলোজিষ্ট মোঃ মোজাম্মেল হক, সিভাসু’র চিকিৎসক জাহান আরা।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ভেক্টর বাহিত রোগ হলো এমন কিছু অসুস্থতা (যেমন- ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকনগুনিয়া, জিকা ভাইরাস) যা মশা মাছি বা এঁটেল পোকার মতো জীবিত বাহকের (ভেক্টর) মাধ্যমে সংক্রামিত ব্যক্তি বা প্রাণি থেকে সুস্থ মানুষের দেহে ছড়ায়। বাহক প্রাণির কামড় বা শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে এই রোগগুলোর বিস্তার ঘটে। মাছি জাতীয় কিছু পোকা তাদের পায়ের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে জীবাণু বহন করে খাবারের ওপর ফেলে, যা খেয়ে মানুষ অসুস্থ হতে হারে। ভেক্টর বাহিত রোগ প্রতিরোধ ও ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। এ জাতীয় রোগের লক্ষণ দেখা দিলে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

















