বিশ্বপ্রাণ ও বিশ্বসত্তার অধ্যাত্ম স্মারক তপস্যাক্ষেত্র সীতাকুণ্ড আন্তর্জাতিক শঙ্কর মঠের স্থপতি নির্দেশক যোগতত্ত্ববিদ শ্রীশ্রীমৎ ১০৮ স্বামী ব্রহ্মানন্দ পরমহংসদেবের আবির্ভাব ও তিরোধান তিথি উৎসব আগামী ১২ জুলাই রোববার যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে মঠ প্রাঙ্গনে উদযাপন করা হবে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে-মঙ্গলারতি, গুরুবন্দনা, প্রার্থনা সঙ্গীত, শ্রীশ্রী চন্ডীপাঠ, মাতৃবন্দনা, হরি ওঁ কীর্ত্তন, বৈদিক স্বস্তিমন্ত্র উচ্চারণ, মাঙ্গলিক বাদ্যসহকারে ওঁকার বিগ্রহ, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, জগদগুরু আচার্য শঙ্করসহ সকল মহারাজের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য প্রদান, শ্রীশ্রী বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞ, দীক্ষানুষ্ঠান, স্বামীজীর বিশেষ ভোগরাগ ও পূজা, প্রসাদ বিতরণ ও বিকেলে যোগচুড়ামনি “স্বামী ব্রহ্মানন্দ পরমহংসদেবের জীবনাদর্শন” বিষয়ক মহতি ধর্মসভা।
শ্রীশ্রী বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞ পরিচালনা ও ধর্মসভায় পৌরহিত্য করবেন সীতাকুণ্ড আন্তর্জাতিক শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ।
স্বামী ব্রহ্মানন্দ পরমহংসদেবের আবির্ভাব ও তিরোধান তিথি উৎসব সফলভাবে উদযাপন উপলক্ষে এক প্রাক-প্রস্তুুতিমূলক সাধারণ সভা শুক্রবার শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের পৌরহিত্যে মঠের অধীনে প্রতিষ্ঠিত শ্রীশ্রী বিশ্বনাথ মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড শঙ্কর মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্য, কর্মকর্তা লায়ন দিলীপ কুমার শীল, সমীর পাল, মাষ্টার অজিত কুমার শীল, ডা. অশোক দেব, শ্রীমৎ জগদীশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারী, বাসুদেব দাশ, চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ চৌধুরী, অজিত কুমার শীল, ডা. প্রবীর পাল, অধ্যাপক প্রিয়তোষ শর্মা চন্দন, জগদীশ দাশ, প্রকৌশলী কাকন শীল, মৃণাল শীল, সুব্রত দে, পুলিন ধর, স্বাতী রানী শীল, বৃষ্টি বৈদ্য, দীপ্তি শর্মা প্রমূখ।
মঠের সাধু-সন্তু-ভক্ত অনুরাগীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ জুলাই রোববার অনুষ্ঠিতব্য স্বামী ব্রহ্মানন্দের অনুষ্ঠানে মঠের সাধু-সন্ন্যাসীরাসহ মহানগর, বিভিন্ন জেলা-উপজেলা কমিটি ও ভক্ত-শিষ্যদের উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

















