৪৬ বছরের সংগ্রামী পথচলা গৌরবময় সাফল্যের’ দ্বারপ্রান্তে” জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ইতিহাস

81

৬৮ হাজার গ্রাম, ৫৬ হাজার বর্গমাইল মানচিত্রের বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল গৌরবময়” সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে ইতিহাসের পাতায়’ অংশীদারিত্বে প্রশংসনীয় ‌ সংগ্রামী ইতিহাস। কেন্দ্রীয় কমিটি ও দেশের প্রতিটি মহানগর, জেলা, থানা, ওয়ার্ড, ইউনিটের এবং বিশেষ করে আমার বন্দর নগরী চট্টগ্রাম মহানগরের প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক মিলে ৪৭ টি ওয়ার্ড, ১৫ থানার সর্বস্তরের প্রত্যেক নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থক সহ- সর্বস্তরের জনসাধারণকে জানাচ্ছি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের(৪৬ তম) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাণঢালা জিয়ায়ী শুভেচ্ছা ।

Advertisement

উল্লেখ্য : ১৯৮০ সালের- ১৯ শে আগস্ট’ কাজী সিরাজ প্রকাশ সাংবাদিক সিরাজকে আহ্বায়ক করে ২৩ সদস্যের বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠাকালীন প্রথম কমিটি গঠন এবং পরবর্তী দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৮৫ সালের- ১৯ আগস্ট’
কাজী আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ২৯ সদস্যের কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদের যাত্রা। বর্তমান কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে রয়েছেন।

বিভিন্ন সময়ে সহ – বিগত দিনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে” নেতৃত্ব দিতে গিয়ে’ ইতিহাসের এক ভয়ানক অধ্যায়ের মধ্যে দিয়ে’ কঠিন ‘ক্রান্তিকাল দুঃসময় পার করেছিলাম দীর্ঘ ১৭ টি বছর, অর্থাৎ : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পরবর্তী” ২০২৪ সালের ৩৬ শে জুলাই” ৫ই অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলীয়ান- মামলার স্তুুপের নিচে নিষ্পেষিত ছিলেন আমাদের দেশনেত্রী, সদ্য প্রয়াত মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া- স্বৈরাচারী মুক্ত নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে’২০২৬ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারি সমাপ্ত হওয়া, প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জবাবদিহিতামূলক, গণতান্ত্রিক সরকারের বৈষম্যহীন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রাণ’ তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সফল
সভাপতি ও ছাত্রদলের সাবেক সোনালী ফসল
মরহুম শফিউল বারী বাবু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, আমি চট্টগ্রামের সাজ্জাদ হোসেন খাঁন সহ- লক্ষ – লক্ষ নেতাকর্মীর জীবন। বহু নেতৃবৃন্দ দূর্বিসহ জীবনযাপন করতে হয়েছে জেলহাজতে। প্রতিনিয়ত স্বৈরাচারিনী পালিয়ে যাওয়া’ খুনি হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া তৎকালীন সময়ে ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রশিক্ষিত প্রোডাকশন” জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের শতশত সৈনিকরা। তারপরও দেশের সার্বভৌমত্বের কথা চিন্তা করে প্রিয় মাতৃভূমির দিকে তাকিয়ে সত্যনিষ্ঠ কর্তব্যপরায়ণ যে কেউ বলবে.. সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবুও মাথা নোঁওয়াবার নয়।..আর এই যে মাথা না নোঁওয়ানোর শিক্ষা’ এই শিক্ষাই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দিয়ে গেছেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, মূলদল বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা’ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান “বীর উত্তম।

আজ এই সুন্দর গণতন্ত্রিক একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে করবো কাজ গড়বো দেশ- সাবার আগে’ বাংলাদেশ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শহীদ জিয়ার উত্তরসূরী- বৈষম্যহীন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রাণ’ তারেক রহমান। পিতার নীতি করছে লালন- দেশের জন্য শহীদ জিয়ার সুখ ছিল মন’ মাটি মানুষের দুঃখ বুঝতে” হেঁটেছেন জিয়া মেঘ পথ- দোল খাওয়া ধানের শীষে’ জিয়ার স্বপ্ন আছে মিশে। গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এ মহানায়কের নাম। তিনি আমাদের আদর্শ, তিনি আমাদের পাথেয়। তাঁরই আদর্শের পতাকাতলে আমরা ছিলাম, আমরা আছি, আমরা থাকবো, ঐক্যবদ্ধ সংগঠনে, ঐক্যবদ্ধ দেশ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ।

লেখক: সাজ্জাদ খাঁন সদস্য ‘ আহ্বায়ক
কমিটি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর, সহ-প্রচার সম্পাদক-জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রাম।

Advertisement