জেনারেল হাসপাতালে নন-কোভিড ইউনিটে ১০টি আইসিইউ বেড উদ্বোধন

309

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নন-কোভিড (সাধারণ) ইউনিটে ভেন্টিলেটর ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ১০টি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) বেড উদ্বোধন করা হয়েছে।

Advertisement

আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ আবুল হোসেন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন বিশ্বাস, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনী) ডা. শিমুল রওশন আরা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনী) ডা. রওশন আরা, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনী) ডা. নারগিস আকতার, সহকারী পরিচালক ডা. মনোয়ার হোসেন, কনসালট্যান্ট (এ্যানেস্থেসিয়া) ডা. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, কনসালট্যান্ট (এ্যানেস্থেসিয়া) ডা. রাজদ্বীপ বিশ্বাস, জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মৌমিতা দাশ, জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এইচ.এম হামিদুল্লাহ মেহেদীসহ অন্যান্য চিকিৎসকগণ।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, জেনারেল হাসপাতালে মোট ১৮টি আইসিইউ বেড রয়েছে। এ বেডগুলো করোনা আক্রান্ত মুমুর্ষ রোগীর জন্য ব্যবহার হতো। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও কমেছে। ফলে আইসিইউ’র অধিকাংশ বেড শূন্য থাকছে। কিছু কিছু নন-কোভিড রোগীর আইসিইউ বেড জরুরী। এ বিষয়টি বিবেচনায় এনে এখন থেকে ১০টি আইসিইউ বেডে নন-কোভিড জঠিল রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাকী ৮টি আইসিইউ বেড কোভিড ইউনিটে থাকছে।

পরে নন-কোভিড ইউনিটে আইসিইউ বেডে চিকিৎসাধীন জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার পিতা প্রবীন শিক্ষক বিমল বড়ুয়ার শয্যাপাশে গিয়ে তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর।

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, জেনারেল হাসপাতালে ১৮টি আইসিইউ বেডের পাশাপাশি ৬টি এইচডিইউ বেড রয়েছে। সেগুলোকে আইসিইউ সুবিধায় যুক্ত করা হচ্ছে, যা করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার হবে। কখনো করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে বা প্রয়োজন হলে সবকয়টি আইসিইউতে পুনরায় করোনার রোগীর চিকিৎসা দেয়া হবে।

Advertisement