২৬ ফেব্রুয়ারির পর টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ

674

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ‘বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন’ হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম। ওইদিন সারাদেশে এক কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, এরপর টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখা হবে।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এরপর আর টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে না। এরপর স্বাস্থ্য অধিদফতর দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, যারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অথবা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই টিকা নেননি। আমরা দেখেছি যারা করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যুহার কম এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও তাদের মধ্যে কম। এই অবস্থায় আমরা সবাইকে আহ্বান করছি, সবাই করোনার টিকা নিন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন, দেশকে সুরক্ষিত রাখুন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি আমরা দেশব্যাপী করোনার ভ্যাকসিনের একটা ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি। সেখানে আমরা লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি সর্বোচ্চ সংখ্যক টিকা দেওয়ার। এই ক্ষেত্রে আমরা সবাইকে আহ্বান করি, আপনারা সবাই এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে টিকা নিন। এর মাধ্যমে আমাদের প্রথম ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তী সময়ে আমরা বুস্টার ডোজ এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকবো। কাজেই আর বিলম্ব না করে আপনারা সবাই টিকা নিয়ে নিন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১০ কোটি নয় লাখ ১১ হাজারের বেশি মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের মত।

তাদের মধ্যে সাত কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং ২৬ লাখ ৯৪ হাজারের বেশি মানুষ তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

এর মধ্যে গতবছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছিল এক দিনে।

Advertisement