বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪১ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বন্দর থানা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।
বুধবার (১ জুন) বিকালে নগরীর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হাজী হানিফ সওদাগর ও পরিচালনা করেন সাধারন সম্পাদক জাহিদুল হাসান।
দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্বার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
এই সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বিদ্রোহ চট্টগ্রাম থেকেই হয়েছে। তাই চট্টগ্রামের ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধপূর্ব এবং যুদ্ধকালীন সময়ে অবিস্মরনীয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে নীরব ছিলেন না। এদেশের সেনাবাহিনীকে সংগঠিত করে তিনি পাক সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে দেশের মানুষের আহবানে দেশ ও জাতিকে পথ দেখানোর জন্য তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছিল। জিয়াউর রহমান সে বাকশাল বিলুপ্ত করে বহুদলীয় ক্ষমতায়নের প্রবর্তন করেছেন। দেশ পরিচালনায় আওয়ামী লীগ যেখানে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি সেখানে সফল হয়েছে।
দোয়া মাহফিলে শরিক হন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা হাজী কামাল উদ্দিন, মো. সেলিম, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, মো. নাছির, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, বন্দর থানা বিএনপির সি. সহ সভাপতি হাসান মুরাদ, সহ সভাপতি খোরশেদ আলম, আবদুল কুদ্দুস সেন্টু, আসলাম মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহাঙ্গির, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হারুন, ইউসুফ ক্ম্পোনী, কামরুজ্জামান, আবু বক্কর, আলী আজম, মোহাম্মদ আরজু, আবদুস শুক্কুর, মো. হোসেন মনা, কামরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, মহিলা দল নেত্রী কামরুন নাহার লিজা, তাসলিমা আহমেদ লিমা, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক নূর জাফর রাহুল, বন্দর থানা যুবদলের আহবায়ক সফিকুল আজম, সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইয়াছিন, বন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আরমান শুভ, বন্দর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন অভি প্রমূখ।
















