চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেছেন, কুকুর বা সন্দেহভাজন জলাতঙ্ক গ্রস্থ প্রাণি দ্বারা আক্রান্তের পর রোগীর দেহে সৃষ্ট ক্ষতস্থান খুব দ্রুত ক্ষারযুক্ত সাবান ও প্রবাহমান পানি দ্বারা ১৫ মিনিট ধৌত করা হলে সেখানে নিপতিত রেবিস ভাইরাস অপসারিত বা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করেই প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এ ভয়ংকর ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে। জলাতঙ্ক এখন পূর্বের মতো ভয়ের বিষয় নয়, বরং মানুষ সচেতন হলেই এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল ১১টায় বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে র্যালি পরবর্তী সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিডিসি’র জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-‘জলাতঙ্ক ঃ মৃত্যু আর নয়, সবার সাথে সমন্বয়’।
তিনি বলেন, ঘাতক ব্যাধি জলাতঙ্কের প্রধান বাহক কুকুর। এছাড়া বিড়াল, বেজি ও শিয়ালের আঁচর-কামড় থেকেও এ রোগ হতে পারে। জলাতঙ্ক একদিকে শতভাগ বিপজ্জনক হলেও তা শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। আক্রান্তের পরপর চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক যথাসময়ে এন্টিরেবিস টিকা প্রদান করে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধ নিশ্চিত করা যেতে পারে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার পূর্বে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি র্যালি বের করা হয়।
ডা. ইলিয়াস বলেন, কুকুর বা সন্দেহভাজন জলাতঙ্ক গ্রস্থ প্রাণি দ্বারা আক্রান্তের পর রোগীর দেহে সৃষ্ট ক্ষতস্থান খুব দ্রুত ক্ষারযুক্ত সাবান ও প্রবাহমান পানি দ্বারা ১৫ মিনিট ধৌত করা হলে সেখানে নিপতিত রেবিস ভাইরাস অপসারিত বা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করেই প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এ ভয়ংকর ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।
আলোচনা সভা ও র্যালিতে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, ইপিআই সুপারিনটেন্ডেন্ট মোঃ হামিদ আলী, এমটিপিআই কাজল পাল, প্রধান সহকারী (প্রেষনে) সাহিদুল আলম, প্রধান সহকারী মোঃ আবু তৈয়ব, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী মাসুদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষাবিদ প্রবীর মিত্র, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর টিটু পাল, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার গাজী মোঃ নূর হোসেন, পরিসংখ্যানবিদ উশ্রী দাশ গীতা, পিএটু সিভিল সার্জন মফিজুল আলম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তাপস রায় চৌধুরী, স্টোর ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম, এন্টোমনোজিক্যাল টেকনিশিয়ান মোঃ মাঈনুদ্দিন, স্বাস্থ্য পরিদর্শক শক্তি বড়ুয়া, স্বাস্থ্য পরিদর্শক রীনা ভট্টাচার্যসহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীবৃন্দ।

















