লকডাউন অমান্য করায় নগরে ৩৩ জনকে জরিমানা

273

মহামারি করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন প্রধান সড়ক থেকে অলিতে গলিতে মানুষের বিচরণ দেখা গেছে। প্রধান সড়কে তুলনামূলক কম জনসমাগম হলেও অলিতে গলিতে যথেষ্ট মানুষের দেখা মিলিছে। এরকম বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩৩টি মামলার বিপরীতে ১৯ হাজার ৩০ টাকা জরিমানা করেছেন।

Advertisement

লকডাউনের নির্দেশনা প্রতিপালনে তদারকি, মাস্ক পরা নিশ্চিতকরণে বুধবার (১৪ এপ্রিল) নগরের পাঁচলাইশ, বাকলিয়া, চকবাজার, খুলশী, বায়েজিদ, চান্দগাঁও পতেঙ্গা, ইপিজেড ও বন্দর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব মামলা ও জরিমানা করা হয়। এসময় ৫ হাজার মাস্কও বিতরণ করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান মেহেবুব পাঁচলাইশ, বাকলিয়া ও চকবাজার এলাকায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক খুলশী, বায়েজিদ ও চান্দগাঁও এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জনসাধারণকে সচেতন করেন এবং মাস্ক বিতরণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান পতেঙ্গা, ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় ৩টি মামলা দায়ের করে ৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত কোতোয়ালী, সদরঘাট ও ডবলমুরিং এলাকায় ৫টি মামলায় ১ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান একই এলাকায় ৩টি মামলা দায়ের করে ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবরশাহ এলাকায় ৩টি মামলা দায়ের করে ১ হাজার ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম বাকলিয়া এলাকায় ৩টি মামলায় ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবরশাহ এলাকায় ৩টি মামলায় ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিল্লুর রহমান পতেঙ্গা, ইপিজেড ও বন্দর এলাকায় ১৩টি মামলায় ৫ হাজার ১৩০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

এছাড়া লকডাউন সফল করার লক্ষ্যে সন্ধ্যার পর থেকে দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও প্লাবন কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

Advertisement