বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, সমাজসেবক আফতাবুর রহমান শাহীন শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় ঢাকাস্থ বাংলাদেশ স্পেসালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন।
আফতাবুর রহমান শাহীন’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক।বেলায়েত হোসেন বুলু।
এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, সাবেক ছাত্রনেতা, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন ছাত্রদল এর মাধ্যমে তার বর্ণাঢ্য রাজনীতি শুরু করেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) নীতি ও আদর্শ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে আস্থাশীল মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীন ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিএনপিকে শক্তিশালী, গতিশীল ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি যে
সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নিকট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে দল একজন নিবেদিত প্রাণ এবং দক্ষ সংগঠককে হারালো। আমরা তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীন কর্মজীবনে যেমন একজন সফল ব্যবসায়ী, ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকান্ডেও তিনি অনন্য দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করে গেছেন। সৎ, সজ্জন, পরোপকারী ব্যক্তি এবং সমাজসেবক হিসেবে উনাকে এলাকার
সকলেই শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি এলাকাবাসীর মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামিন যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে এই গভীর শোকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
নেতৃদ্বয় শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
















