সারাদেশের ন্যায় আগামী ১ জুন শনিবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৪১টি ওয়ার্ড এলাকায় অনুষ্টিত হবে দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪।
সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে মোট ১ হাজার ৩২১টি কেন্দ্রে ৫ লাখ ৪৫ হাজার শিশুকে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা সময়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৮৫ হাজার শিশুকে একটি করে নীল (১ লাখ আইইউ) ও ১২-৫৯ মাসের ৪ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সাথে মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতে গর্ভবতী ও প্রসূতি মা’কে বেশি পরিমাণ ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ প্রাণিজ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, কলিজা), হলুদ ফলমূল, রঙিন শাক এবং জন্মের পর এক ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে বুকের শাল দুধ ও ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর বার্তা প্রচার করা হবে।
আজ ৩০ মে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর সদরঘাটস্থ চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন চসিক’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন (রানা)।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্টান ও জাতীয় পুষ্টি সেবার বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, চসিক স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চসিক’র উপ-সচিব মোঃ আবদুল আজিজ, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন তালুকদার, মেডিকেল অফিসার ডা.তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডা. জুয়েল মহাজন, ডা. আকিল মোহাম্মদ নাফে, ডা. হোসনে আরা, ডা. দিদারুল মুনির রুবেল, ডা. শাহনাজ আকতার ও ভ্যাকসিনেশন ইনচার্জ আবু সালেহ প্রমূখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে চসিক ৬-১১ মাস বয়সী ৭৯ হাজার ৮৯৫ জন শিশুকে একটি করে নীল ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল। অর্জিত হার ৯৯ শতাংশ। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুর রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং শিশুকে অপুষ্টি ও মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাবে।কোন শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে যাতে বাদ না যায় সে দিকে সবাইকে অবশ্যই নজর রাখা হবে।
তিনি বলেন, এ কর্মসুচী সফল করতে সকল ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশু যাতে ঐদিন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাসসুল পায় সে লক্ষ্যে সর্বত্র মাইকিং করে জনগণকে জানান দেয়া হবে। ভ্রমণে থাকাকালীন সময়েও রেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরী ঘাট ও লঞ্চ ঘাটে থকা শিশুদেরকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

















