কাতালগঞ্জ মূল সড়কে ময়লার ভাগাড় : মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ

87

চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চকবাজার-কাতালগঞ্জ-মুরাদপুর রোডের কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন মূল সড়কের অর্ধেকাংশ দীর্ঘ বছর ধরে দখল করে রেখেছে ময়লার ভাগাড়।

Advertisement

কালাগঞ্জ ও আশপাশের আবাসিক এলাকা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনাগুলো প্রতিনিয়ত এখানে ফেলার কারণে এলাকার পরিবেশ দুর্গন্ধ ও দুষিত হয়ে গেছে। মূল সড়ক বিভাজনের পশ্চিম পার্শ্বের অংশের অর্ধেক সড়ক জুড়ে ময়লার ভাগাড় হওয়ায় প্রচন্ড দুর্গন্ধের মধ্যে যানবাহন ও পথচারী চলাচল করতে হয়।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়মিত ময়লা অপসারণ না করায় ময়লার দুর্গন্ধে এলাকাবাসীসহ এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। স্মার্ট নগরের জনগুরুত্বপূর্ণ মূল সড়কে এ রকম আরও অনেক ময়লার ভাগাড় রয়েছে। কাতালগঞ্জ এলাকার ময়লা-আবর্জনাগুলো অপসারণের পূূর্বে স্তুুপ করে রাখার জন্য সেখানে নির্দিষ্ট জায়গা থাকলেও রহস্যজনক কারণে মূল সড়ক দখল করে রেখেছে ময়লার ভাগারে।

কাতালগঞ্জ এলাকার একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কাতালগঞ্জের মত একটি এলাকার মূল সড়ক জুড়ে থাকা ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। ময়লার দুর্গন্ধে এখানে ব্যবসা করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতা সাধারণের অনেকে এখানে সওদা করতে আসতে চায় না। সিটি করপোরেশনের মেয়র মহোদয় আন্তরিক হলে এখান থেকে ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে অন্যত্র স্থানান্তর করতে পারে।

কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানান, কাতালগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকের বসবাস। এখানে আবাসিক এলাকার পাশাপাশি রয়েছে পাঁচলাইশ থানা, কয়েকটি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই এলাকার মূল সড়করদখল করে ময়লা ভাগাড় থাকা তা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। প্রতিনিয়ত ময়লা জমিয়ে রাখার কারণে একদিকে তীব্র দুর্গন্ধ, অন্যদিকে এলাকার পরিবেশ দুষিত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী চট্টগ্রাম সিটির এমন জায়গায় ময়লার ভাগাড় সিটি করপোরেশনের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। দুর্গন্ধ ও দুষণ থেকে রক্ষাকল্পে কাতালগঞ্জ মূল সড়কের ময়লার ভাগাড় স্থানান্তর করে অন্যক্র সরিয়ে নিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: রেজাউল করিম চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন।

Advertisement