চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোভিড-১৯ এর কারণে বান্দরবান পার্বত্য জেলার দুর্গম থানছি উপজেলার অসহায় মারমা, ত্রিপুরা, চাকমা ও খুমি সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ৫’শ পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত উপহার সামগ্রী (ত্রাণ) বিতরণ করা হয়েছে।
আজ রবিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় থানছি উপজেলা সদরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি। প্রতি প্যাকেট উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল-১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিড়া ও ১ কেজি লবন।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে থানছি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক টিম ত্রাণ বিতরণ কাজে সহযোগিতা করেন।
উপহার সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি এনডিসি বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে সারা পৃথিবী আজ বিপর্যস্ত। দেশের ক্রান্তিলগ্নে জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মানবিক সহযোগিতা নিয়ে দুর্গম পাহাড়ী এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। করোনাকালে অসহায় কোন মানুষ খাদ্য সংকটে থাকবেনা। এ বিষয় দেখাশোনা করার জন্য সরকার আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। কর্মহীন কেউ যাতে সরকারী সহযোগিতা থেকে বাদ না যায় তা কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মুজিববর্ষে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবেনা-এ লক্ষ্যে সারাদেশের গৃহহীনদের দুই শতক জায়গার উপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সম্পূর্ণ সরকারী খরচে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। এর চেয়ে বড় মানবতা আর কিছুই হতে পারেনা। শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরিধানসহ শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করলে আমরা অচিরেই করোনা মহামারীর বৈশ্বিক বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো।
সভাপতির বক্তব্যে বান্দরবান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে যেসব মানুষ একেবারে কর্মহারা হয়ে পড়েছে বা কষ্টে আছে তাদের প্রত্যেককে ত্রাণের আওতায় আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। লকডাউনে যারা অতি কষ্টে দিনযাপন করছেন তাদের প্রত্যেককে সরকারী ত্রাণের আওতায় আনা হবে। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবেনা।
















