সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Valent BioSciences LLC-এর আমন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কয়েকজন কর্মকর্তার সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র সফর প্রসঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের সংবাদ ও মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৪ মে ২০২৬ তারিখে একটি পত্র জারি করে বিষয়টির প্রশাসনিক নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে। কিন্তু উক্ত পত্র জারির পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর হঠাৎ গতকাল সোমবার থেকে কয়েকটি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আনা হয় এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবাদ ও পোস্ট প্রকাশ করা হয়।
মঙ্গলবার প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত কিছু পোস্টে আমার নামে বিভিন্ন বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, উক্ত বিষয় সম্পর্কে আমি কোনো গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার প্রদান করিনি, কোনো সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলিনি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে মন্তব্যকারী কোনো ব্যক্তিকেও কোনো ধরনের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া প্রদান করিনি। ফলে আমার নামে প্রচারিত বক্তব্যগুলো আমার বক্তব্য নয়।
প্রকৃত ঘটনা হলো, মশক নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে আধুনিক ও কার্যকর প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারের পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, আমি তা সম্পূর্ণ শ্রদ্ধার সঙ্গে এবং সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নিয়েছি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সবসময় সরকারের নীতিমালা, আইন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ভবিষ্যতেও সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
আমি বিশ্বাস করি, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা এবং জনসম্পৃক্ততাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান একটি সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমরা যদি ডোবা, নালা-নর্দমা, খাল, জলাশয় ও বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি এবং যেখানে-সেখানে ময়লা, প্লাস্টিক, পলিথিন ও ককশিট না ফেলি, তাহলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ামুক্ত একটি স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
‘করব কাজ, গড়ব দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চেতনাকে ধারণ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবে।
















