সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, হিসাবের গরমিল, অডিট প্রতিবেদনে উঠে আসা ৪৬ লাখ টাকার হিসাবের গরমিল, ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫৬৩ টাকার কথিত ঋণ বিতরণ, বিক্রি করা পুরোনো সামগ্রীর অর্থ, অনিয়মতান্ত্রিক বিল-ভাউচার এবং পিবিজিএসআই প্রকল্পের ৫ লাখ টাকাসহ সরকারি প্রকল্পের অর্থের যথাযথ হিসাব না দেওয়া এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গত ১১ আগস্ট একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পত্রে অভিযোগের বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমানকে আহ্বায়ক, শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রহমান চৌধুরী, সীতাকুণ্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দিদারুল আলম, ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোবারক আলীকে সদস্য এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমত আরা বেগমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কুমিরা আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে স্থানীয় নাগরিক মো. নিজাম উদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের বিষয়গুলো সরেজমিনে যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্যে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















