চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থির করার অংশ হিসেবে সহিংসতা ও নাশকতার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্থ করতে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে পরাজিত শক্তি। ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করা এবং আগের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। বিগত ১৭ বছরে যারা গুম, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছে, সেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর কোনো দিন বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। তাদের সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরি করতে হবে।
তিনি রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নগরীর তিন পুলের মাথা থেকে সারাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে তৃণমূল বিএনপিও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবতা, ন্যায় বিচার, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। গণ অভ্যুত্থানের পর দেশে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের আর কোনো ঠাঁই হবে না। ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে। শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামি। তাকে আসামী হয়েই দেশে ফিরতে হবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সর্বচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে প্রশাসনকে সহায়তা করতে হবে।
কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও এনায়েত বাজার ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর আলির পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইস্কান্দার মির্জা, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, মনজুর আলম মনজু, মহানগর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইকবাল, মোস্তফিজুর রহমান বুলু, আজাদ বাঙ্গালী, শফিক আহমদ, আলি আব্বাস খাঁন, দিদারুর রহমান লাবু, জিয়াউর রহমান, সৈয়দ আবুল বসর, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, জসিম মিয়া, কামরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ওসমান গনি, এস এম রব, আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম, কামাল উদ্দিন, সুলতাম মাহমুদ সুমন, কলিম উল্লাহ,অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মো. সেলিম খাঁন, এরশাহ হোসেন, ইদ্রিস আলম, আমিন উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, তানভীর মল্লিক, নুর হোসেন নুরু, মো. হোলাল, বজল আহমদ, মো. রাসেদ, মো. হাসান, আবদুল মান্নান আলমগীর. নোমান সিকদার সোহাগ, মো. মিল্টন, দুলাল সওদাগর, শামীম আহমদ, বাদশা আলমগীর, মাঈনুদ্দিন খান রাজিব প্রমুখ।
















