চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা: শাহাদাত হোসেন বলেন, শাসক গোষ্ঠী অবৈধ ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল নির্মাণ করে যাচ্ছে।নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতি, করোনা মোকাবেলায় সীমাহীন ব্যর্থতা, আইন শৃংখলার চরম অবনতি, অসহনীয় বেকারত্ব, লক্ষ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, ক্ষমতাসীনদের নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও জনগণের বাকস্বাধীনতাকে সম্পূর্ণরূপে হরণ করে ডিজিটাল বাকশাল কায়েম করতে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড় দূর্গাপূজার মন্ডপে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি আজ ১৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বাদে আছর আন্দরকিল্লাস্থ কমদমোবারক শাহী জামে মসজিদে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ও নগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম হেদায়েতুল ইসলাম’র ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে ও জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদের পরিচালনায় ডা: শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, ৯০’র স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে মরহুম হেদায়েতুল ইসলাম যে ভূমিকা রেখে গেছেন তা যুগ যুগ ধরে জাতীয়তাবাদী শক্তি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে দলের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা আজ ২৯ বছরেও পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
তিনি এ সময় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকারী দলের মিথ্যাচারকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেন। আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এই দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন কদমমোবারক শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা ইকরাম হোসেন। মুনাজাতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয় এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো ও মরহুম হেদায়েতুল ইসলামকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান বানানোর জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কায়মনো বাক্যে দোয়া করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সি: সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, সহসভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান, জাহেদুল হাসান বাবু, মোহাম্মদ আলী সাকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবীর, আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, সাইফুদ্দীন মো. মারুফ, জাফর আহমেদ খোকন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, আজিজুল হক মাসুম, মোহাম্মদ আলাউদ্দীন, মহিউদ্দীন মুকুল, এস. এম. বখতেয়ার উদ্দীন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদকবৃন্দ আতিকুর রহমান, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, মাহবুবুর রহমান, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মো. কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গির আলম বাবু, জাহাঙ্গির আলম মানিক, সালাহ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, মো. ইদ্রিস, আবদুল আউয়াল টিপু, সাইদুল ইসলাম, আবুল কালাম নগর যুবদলের সদস্য মো. হাবিবুল্লাহ খান, সোহাগ খান, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুস সাত্তার, আরশাদ হোসেন আশু, আজিজ চৌধুরী, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শেখ রাসেল, মঞ্জুর আলম, শওকত খান রাজু, মোর্শেদ কামাল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক এস এম আলী, আবু বক্কর বাবু, আকতার হোসেন, জাবেদ হোসেন, মো. ইউনুছ, জহিরুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
















