চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর ৯ম দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. জ্যোতি প্রকাশ দত্ত বলেছেন, সাম্য, সম্প্রীতির কবি নজরুল, তাঁর হৃদয়মাধুর্য দিয়ে সব শ্রেণিবৈষম্য দ‚র করতে চেয়েছিলেন। এই চেতনা তরুণদের মধ্যে লালন করা এবং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া।
তিনি বলেন, নজরুল ছিলেন বাঙ্গালির চিত্তজাগরণকারী গণমানুষের কবি। এবছরের ডিসেম্বরে নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হবে। তিনি নজরুলের বিদ্রোহী ও সাম্যের চেতনাকে ধারণ করে তরুণদের অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বই মেলা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন শাহ আলম নীপু’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অমর একুশে বই মেলার আহ্বায়ক ড.নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লেখক ও কবি বিশ্বজিৎ চৌধুরী। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আজাদী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম আশরাফী ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনজুমান আরা।
বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লেখক ও কবি বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকর্ম চর্চার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা লিঙ্গ-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বিভেদহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশের গণমানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাঁর চিন্তা চেতনার বিকাশ ও উম্মেষ ঘটাতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে বই মেলা কমিটির আহ্বায়ক ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, সত্য-সততা ও অসম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নজরুলের রচনাগুলোকে আত্মস্থ করা সময়ের দাবি। তিনি বর্তমান প্রজন্মকে বেশি বেশি নজরুল চর্চা করে সাম্য বিদ্রোহী কবিতার চরণগুলো আত্মস্থ করে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

















