চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আজকের এ দিনে ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন সিপাহী-জনতা। সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনের বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে। ’৭৫-এর ৭ নভেম্বর সৈনিক-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে আমাদের মাতৃভূমি প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীন অস্তিত্ব লাভ করে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা নিশ্চিত হয়। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যানে উই রিভোল্ড বলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমরা আজকের এইদিনে শপথ নিতে চাই, স্বৈরচারী সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয়বাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমন বীর উত্তমের স্মৃতি বিজড়িত ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে তিনি আজ ৭ নভেম্বর (সোমবার) সকাল ১১ টায় পুস্পস্তবক অর্পণপূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, চারিদিকে আজ অস্থিরতা বিরাজ করছে। আওয়ামীলীগ তথাকথিত শুধু উন্নয়নের গল্প শুনিয়েই দিন পার করছে। আওয়ামীলীগ নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নেই ব্যস্ত। দেশের মানুষ ভাল নেই। এদেশের লালসবুজ পতাকা আজ শকুনের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয়তাবাদী আদর্শের জিয়ার সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামীতে আরো তীব্রতর আন্দোলন সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে হবে।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি নুর আহমদ গুড্ডু , ফজলুল হক সুমন, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, যুগ্ম সম্পাদক এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু,ওসমান গণি, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সাগীর, সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সহ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মানিক, কামরুল ইসলাম, জিয়উল হক মিন্টু, মাহবুবুর রহমান, মো. সালাহ উদ্দিন, হাফেজ কামাল উদ্দিন, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, থানা যুবদলের আহবায়ক মো. কুতুব উদ্দিন, বজল আহমেদ, ইসমাইল হোসেন লেদু, নগর যুবদলের সদস্য লতিফুল বারী সুমন, মাহবুব খান জনি, সাব্বির ইসলাম ফরুক, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মো. হাসান, শওকত খান রাজু, তাজ উদ্দিন তাজু, আবদুল জলিল, মোস্তাকিম মাহমুদ, সাইফুল ইসলামর রুবেল, ইউনুস মুন্না, মোরশেদ কামাল, সাহেদ হোসেন খান পারভেজ, দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ, আনোয়ার হোসেন, মেজবাহ উদ্দিন উজ্জ্বল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, মো. ইউনুস, বাদশা আলমগীর, জহিরুল ইসলাম, ইমতিয়াজ নিশান, নেওয়াজ উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, এস এম অভি প্রমূখ।

















