চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে ও এপিসি প্রকল্পের উদ্যোগে শিশুর বিকাশ সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ মডিউল ‘জীবনের যাত্রা’ বিষয়ক প্রাথ-প্রাথমিক, শিশু বিকাশ কেন্দ্রের শিক্ষক ও মিশু একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রশিক্ষকগণের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম একাডেমি মিলনায়তনে আজ ৩১ মে বুধবার বিকেলে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ২৯ মে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের পক্ষে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সহকারনী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবদুল্লাহ-আল মামুন।
আজ বুধবার (৩১ মে) বিকেলে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম শিশু একাডেমির জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মোছলেহ উদ্দিন। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিশু একাডেমির অবসরপ্রাপ্ত শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ নূরুল আবছার ভূঁঞা ও ইউনিসেফ’র শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন বি হোসাইন। চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমি, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও কক্সবাজার জেলা শিশু একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রশিক্ষক ও শিক্ষকগণ ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বই, খাতা ও কলম দিয়ে শিক্ষাকে চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি রাখলে একটি শিশু পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি দরকার সহশিক্ষা কার্যক্রম। শিশু সুরক্ষায় আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারা ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরও বলেন, সংস্কৃতিচর্চা শিশু চিন্তা শক্তির বিকাশ ঘটায়। এজন্য সংস্কৃতিচর্চাকে মূল ধারায় অর্ন্তভূক্ত করা প্রয়োজন। সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে আমরা যদি শিশুদের পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে পারি তাহলে তাদের চিন্তা চেতনার মধ্যে আমরা পরিবর্তন আনতে পারবো। শিশুদের সংস্কৃতিচর্চা নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে কিভাবে তাদের পাশে আমরা দাঁড়াতে পারি, কিভাবে একেক জন শিশুকে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি সে বিষয়ে ভাবতে হবে।

















