চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আজ ২৫ মার্চ সোমবার আলোচনা সভা ইনস্টিটিউটের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইয়াছিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইন্সট্রাকটর (ননটেক বিভাগ) পলাশ কান্তি বড়ুয়া।
সাবেকুন্নাহার ও কানিজ ফারহানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইনস্ট্রাক্টর (ইলেকট্রিক্যাল) প্রকৌশলী সুব্রত দাশ। আলোচনা সভায় ইনস্টিটিউটের সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিফ ইনস্ট্রাক্টর, শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ বাংলাদেশের মানুষজনকে আহ্বান জানিয়েছিলেন-যার যা আছে তাই নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য। কিন্তু ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র পুরো জাতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে ঘোষণায় বাংলার আপামর জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল কোনো অস্ত্র ছাড়াই। সেই রাতের নির্মম গণহত্যার নিন্দা পুরো বিশ্ব জানিয়েছিল।
বক্তারা আরও বলেন, ২৫শে মার্চের কাল রাত্রির বর্বরতা ক্ষেত্র বিশেষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছিল। সম্ভাব্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত জেনেও পলায়ন না করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মোকাবেলার জন্য নেতা হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিরয় পড়ার আহবান জানিয়েছিল। মাত্র নয় মাসের মুক্তি সংগ্রামে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছিল। ইতিহাস কখনো এই গণহত্যার খলনায়কদের ক্ষমা করবে না।

















