খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদল ও জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিগত খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তরুণ ব্যবসায়ী ইব্রাহিম খলিলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
গত বছরের এ দিনে চট্টগ্রাম নগরীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
সদা হাস্যোজ্জ্বল ইব্রাহিম খলিলের দলের বাইরেও সব মহলে গ্রহণযোগ্যতা ছিল। অমায়িক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সজ্জন ব্যাক্তি ছিলেন ইব্রাহিম খলিল। আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি অন্তত ৩ ডজন মামলার আসামি হয়েছিলেন। বহুবার কারাবরণ করেছেন।
মরহুম ইব্রাহিম খলিল ছাত্রবস্থায় স্কাউট করতেন। তিনি ক্রীড়ামোদিও ছিলেন। স্কুল এবং কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীয় তিনি সবসময় ভাল ফলাফল করতেন।
খুব সহজেই মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার বিশেষ গুণ ছিল তার। খাগড়াছড়ির সর্বস্তরের জনসাধারণ এবং প্রশাসনের লোকজনের সাথে তার ভাল সখ্যতা ছিল। তিনি খুব অতিথি পরায়ন ছিলেন। পর্যটন এলাকার বাসিন্দ হওয়ার সুবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছিল তার অগনিত শুভাকাঙ্খি।
খলিলের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, বিভিন্ন সংগঠন এবং বন্ধুবান্ধবের পক্ষ থেকে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই সন্তান, পিতা-মাতা, তিন ভাই, এক বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
খাগড়াছড়ি জেলা সদরের আলহাজ্ব তনু মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র ইব্রাহিম খলিল এর জানাযার নামাজে অগণিত মানুষ অংশ গ্রহণ করেছিল। সেদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার মুসল্লী এই নামাজে জানাজায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন। বিগত বছরে খাগড়াছড়ি জেলায় কোন ব্যক্তির জানাযায় এত মানুষ উপস্থিত হয়নি। দলমত নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষের ভালবাসায় সমাহিত হয়েছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ এপ্রিল তিনি সোনাগাজীতে ব্রেইনস্ট্রোক করেন। এরপর তাকে চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে স্থানান্তর করে। সেখানে ২৮ এপ্রিল রাতে তার মাথায় মেজর অপারেশন করা হয়। এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকলেও তার জ্ঞান ফিরেনি।
















