সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। চিকিৎসকরা ইতিমধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সরকার বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে অবিলম্বে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরীর সভাপতিত্বে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুর মোহাম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়াকে জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে পাঠানো প্রয়োজন। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অনুমতি না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ সরকার বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বকে ভয় পায়। তারা জনগণের মতামতের কোন তোয়াক্কা না করেই একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। দেশের শাসন ব্যবস্থা, গনতন্ত্র ভোটাধিকার গৃহবন্দি। বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন গনতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, সে নেত্রী আজ চিকিৎসাহীনভাবে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে অবিলম্বে বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে তার সব দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন সরকারের এ ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত আছে।
সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে শেখ হাসিনা বিনা অপরাধে ফরমায়েশী মামলায় শুধু কারাদণ্ড দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি। আজকে বিনা চিকিৎসায় তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে। এই মুহূর্তে আন্দোলনের বিকল্প নেই।
উক্ত সমাবেশে ও জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি লিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম এ হালিম, আলহাজ্ব ছালাউদ্দিন, নুরুল আমিন, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবু তাহের, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, আজম খাঁন ,অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী,সেলিম চেয়ারম্যান ,নুরুল আমিন চেয়ারম্যান,আবু আহমেদ হাসনাত,মাহবুব সাফা, কাজী সালাউদ্দিন, সোলাইমান মঞ্জু , আনোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সালাউদ্দিন সেলিম চেয়ারম্যান ,মোবারক হোসেন কাঞ্চন ,আবু জাফর চৌধুরী, দিদারুল আলম মিয়াজী, আজমত আলী বাহাদুর, যুবদল উত্তর জেলার সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম, কৃষক দলের সভাপতি আতিকুল ইসলাম লতিফী, মহিলা দলের সভানেত্রী মেহেরুন্নেসা নার্গিস, মৎস্যজীবী দল উত্তর জেলার আহ্বায়ক শফিউল আলম চৌধূরী , তাঁতী দল উত্তর জেলার সভাপতি মোহাম্মদ সিদ্দিক, ওলামা দলের জাহাঙ্গীর আলম হেলালী, বিএনপি নেতা জামশেদুর রহমান,যুবদল উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক মুরাদ চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম চৌধুরী বদরুল, তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন কমিশনার, ওলামা দলের মৌলানা মোজাম্মেল হক ফারুকী, ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনি, জাহাঙ্গীর হোসেন,
বিএনপি নেতা মুসলিম উদ্দিন,যুবদল নেতা আলাউদ্দিন, ফোরকান উদ্দিন রিজভী, এইচ,এম নুরুল হুদা, সাখাওয়াত হোসেন শিমুল, শওকত আকবর সোহাগ, এস,এম ফারুক,রহমত উল্লাহ, মুসলিম উদ্দিন, ফোরকান উদ্দিন রিজভী , ফজলুল করিম,শওকত তালুকদার,ফখরুল হাসান, মৌলানা জয়নাল আবেদীন, জহুরুল ইসলাম, মৌলানা কাশেম, মোঃ হারুন, মোঃ শাহজাহান, মোঃ জাবেদ, এন এ বাবুল, ছাত্র নেতা নুরুল কবির তালুকদার, শাহারিয়ার সজীব, যুগ্মসম্পাদক তকিবুল হাসান তকি, সহসাংগঠনিক সুজাউদ্দৌলা সজীব, মোঃ ওয়াসিম, মুজাহিদুল ইসলাম রুবেল, সুজাউদ্দৌলা সজীব, সরোয়ার হোসেন রুবেল, মোজাহেদুল ইসলাম প্রমূখ

















