কোভিড ভ্যাকসিনের আওতায় আসলো গোসাইলডাঙ্গা এলাকার পেশা ও শ্রমজীবীরা

711

করোনা থেকে সুরক্ষায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন গোসাইলডাঙ্গা এলাকার আওতাধীন এলাকাবাসী, শ্রমজীবী ও পেশাজীবীদেরকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়েছে।

Advertisement

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় সেখানকার বিনাগ লেইনের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুই দিনব্যাপী ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের তদারকি করেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার।

ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আমরা রাসেল ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য শেখ নওশেদ সারওয়ার পিল্টু।

আমরা রাসেল ফুটবল একাডেমির সহযোগিতায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের আয়োজন করেন।

উদ্বোধনী দিনে এলাকাবাসীসহ ১ হাজার শ্রমজীবী ও পেশাজীবীকে অ্যাস্ট্রোজেনেকার ১ম ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবার আরও ২ হাজার মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। আগামী ২ মাস পর তাদেরকে ২য় ডোজ ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের ৩৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মোর্শেদ আলী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জহুর আহম্মদ কোম্পানী, বন্দর থানা সাধারণ আওয়ামী লীগের সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস, ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ এসকান্দর মিয়া, সরকারী গাড়ি চালক সমিতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার বলেন, এলাকাবাসী, শ্রমজীবী ও পেশাজীবীরা সুরক্ষিত না থাকলে আমরা সুরক্ষিত থাকবোনা। সরকারের নির্দেশে চট্টগ্রামে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রত্যেককে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র নেই বা থাকলেও কোন কারণে সুরক্ষা অ্যাপ্সের মাধ্যমে ভ্যাকসিনের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি তাদের নাম-ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নির্দিষ্ট কার্ডে লিখে প্রথম দিন ১ হাজার শ্রমজীবী ও পেশাজীবীকে অ্যাস্ট্রোজেনেকা ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর মনে আছে তাদের নম্বর ঐ কার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার আরও ২ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কেউ ভ্যাকসিন না পেয়ে থাকবেনা। এটা বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন দেয়া থাকলে করোনার ঝুঁকি অনেকটা কম। করোনা ও ওমিক্রন থেকে রক্ষা পেতে হলে পর্যায়ক্রমে সবাইকে কোভিড ভ্যাকসিনের আওতায় আসতে হবে। নিজে ভ্যাকসিন নিয়ে অন্যকে ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি মাস্ক পরিধানসহ সামজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে হবে। জমাসমাগম ঘটে এমন সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলতে হবে।

Advertisement