আগের ম্যাচেই হারের স্বাদ দিয়েছিল সিলেট সানরাইজার্স, ঠিক পরের ম্যাচেই মিনিস্টার ঢাকা তার দারুণ প্রতিশোধ নিল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের দশম ম্যাচে সিলেট সানরাইজার্সকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা।
আসরে এটি ঢাকার দ্বিতীয় জয়, পঞ্চম ম্যাচে। অন্যদিকে সিলেট তৃতীয় ম্যাচে এসে দ্বিতীয় পরাজয়ের মুখ দেখল। রানবন্যার ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সিলেট পেয়েছিল ভালো শুরু।
উদ্বোধনী জুটিতে সিলেট জড়ো করে ৫০ রান। এনামুল হক বিজয় বিদায় নিলে দলকে একাই টেনে নেন লেন্ডল সিমন্স। তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ও আসরের প্রথম সেঞ্চুরি। সাজঘরে ফেরার আগে ৬৫ বলে ১১৬ রান করতে সিমন্স হাঁকান ১৪টি চার ও ৫টি ছক্কা।
নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭৫ রান। এই রান তাড়া করতে হলে ঢাকার যেমন শুরু প্রয়োজন ছিল, তামিম ইকবাল এনে দেন তারচেয়েও ভালো শুরু।
পাওয়ারপ্লেতে তিনি একাই খেলেন ৩০ বল, গড়েন রেকর্ড। ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৭৪ রান পাওয়া ঢাকার রানের ক্ষুধা আরও বাড়তে থাকে। সেই ক্ষুধা মেটানোর চেষ্টা তামিমেরই বশি ছিল। ২৮ বলে তামিম পূর্ণ করেন অর্ধশতক, শতক পূর্ণ করেন ৬১ বলে। নিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি শতকের দিনে তামিম হাঁকান ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কা। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ৬৪ বলে ১১১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
কম যাননি শাহজাদও। জয় থেকে ৩ রান ও ১ বল দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরার আগে ৩৯ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৩ রান করেন। তবে ঠিক পরের বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তামিম। ঢাকা জয় পায় ৯ উইকেট ও ৩ ওভার হাতে রেখে।
বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মত এক ম্যাচে দেখা গেল দুটি শতক। এর আগে রংপুর রাইডার্সের হয়ে এই কীর্তি গড়েন অ্যালেক্স হেলস ও রাইলি রুশো। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে এমন চিত্র দেখা গেছে ২৪ বার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস : মিনিস্টার ঢাকা
সিলেট সানরাইজার্স : ১৭৫/৫ (২০ ওভার)
সিমন্স ১১৬, বিজয় ১৮, মোসাদ্দেক ১৩*
কাইস ২৬/১, মাশরাফি ২৯/১, এবাদত ২৯/১
মিনিস্টার ঢাকা : ১৭৭/১ (১৭ ওভার)
তামিম ১১১*, শাহজাদ ৫৩
বাবু ৩২/১
ফল : মিনিস্টার ঢাকা ৯ উইকেটে জয়ী।

















