গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে রবিবার (২০ মার্চ) নগরীর মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক এতিমখানা মার্কেটের নাগরিক হলে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বসাজো’র সহ-সভাপতি প্রণবরাজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমেদ শাহিন’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও চসিক সাবেক প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি’র পালি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু। প্রধান বক্তা ছিলেন চসিক প্রাক্তন প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর অধ্যাপিকা রেখা আলম চৌধুরী, বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি কামাল উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম আইন কলেজ সাবেক জিএস সুমন দেবনাথ, অধ্যাপক শিবপ্রসাদ, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, আলহাজ্ব ওসমান গণি, সাংস্কৃতিক সংগঠক পথিক চৌধুরী, কবি সজল দাশ, সাংবাদিক হারুন রশিদ, রিমন মুহুরী, রক্সি জাহান, রোকসানা করিম পলি, আলমগীর চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন, মোঃ তিতাস, এ কে এম মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, তৎকালীন স্বৈরাশাসকগোষ্ঠীর দমন-নিপিড়ন, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগের কর্মীরা যখন দিশেহারা ঠিক সে সময় দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জিল্লুর রহমান সংগঠনের হাল ধরে ছিলেন এবং কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হন। বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে অনেক সুবিধাবাদীদের ম্যারাথন শুরু হয়েছে। অথচ জননেতা জিল্লুর রহমান লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে আওয়ামী লীগকে গণতান্ত্রিক চর্চায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ এখন কঠিন সময় পার করছে চারিদিকে দেশ-বিদেশী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। এ কঠিন রাজনীতির দোলাচলে আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমানের খুব প্রয়োজন ছিলো। আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটা কর্মীকে শেখ হাসিনার পাশে ভ্যানগার্ড হিসেবে উপস্থিত থেকে কাজ করে যেতে হবে।
















