শহীদুল আলম নিটোল ছিলেন সাহসী ও নিবেদিত প্রাণ ছাত্রনেতাঃ আবু সুফিয়ান

276

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রামে ছাত্রদলের রাজনীতিতে শহীদুল আলম নিটোল ছিলেন একজন সাহসী, ত্যাগী ও নিবেদিত প্রাণ ছাত্রনেতা। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে তিনি ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। কিছু সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তের হাতে তার অকাল মৃত্যুতে যে শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কখনো পূরন হবার নয়। বর্তমানে দেশের এই ক্রান্তিকালে নিটোলের মত ছাত্রনেতার খুবই প্রয়োজন ছিল। তাঁর সংগ্রামী ভূমিকার জন্য তিনি দলের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তার কর্মগুণেই তিনি আমাদের মাঝে অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন। দলের প্রতি তার অবদানকে আমরা আজীবন স্মরণে রাখবো।

Advertisement

তিনি শনিবার (২৮ মে) বাদে জোহর নগরীর গনি বেকারীস্থ মিসকিন শাহ আউলিয়ার মাজার সংলগ্ন জামে মসজিদে কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি শহীদ শহীদুল আলম নিটোলের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাগমনিরাম ও চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্বরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে শহীদুল আলম নিটোলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। তাছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান’র রোগ মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থান জিয়ারত করে মরহুমের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কাশেম।

এসময় নিটোলের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন বলেন, শহীদুল আলম নিটোল ছাত্রদলের একজন কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি ৯০’র দশকে চট্টগ্রামে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। তিনি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিকট ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নিবেদিতপ্রাণ এই নেতা ও তার পরিবারকে সইতে হয়েছে সরকারি নানা শারীরিক ও মানসিক জুলুম নির্যাতন। তার মৃত্যুতে বিএনপি একজন যোগ্য নেতাকে হারিয়েছে।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মান্নান, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ চৌধুরী হাকিম, ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি আকতার খান, মন্জুর আলম মন্জু, রাসেল পারভেজ সুজন, সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, হাজী আবু ফয়েজ, সৈয়দ আবুল বশর, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. সেলিম, একরামুল হক ছুট্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি মঈনুদ্দীন রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সি. যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দীন নাহিদ, অঙ্গসংগঠনের নেতা আসাদুর রহমান টিপু, নুর হোসেন উজ্জল, মো. আলাউদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, ইদ্রিস সবুজ, মো. বেলাল, আবদুল জলিল, যুবরাজ, মো. ইব্রাহিম, ইকবাল হোসেন জিসান, আরিফুল ইসলাম, জামাল আহম্মেদ, রিদোয়ান হোসেন জনি, জাবেদ জোবাইর, মো. আনাস, মোবারক হোসেন, সাইদুল ইসলাম ফয়সাল, কাইয়ুম আহম্মেদ জয়, নাবিল, শাহনেওয়াজ তুশান, মো. জাহেদ, রাফসান, আবুল হোসেন প্রমুখ।

Advertisement