রেলে ক্যাডার বহির্ভুত কর্মচারী নিয়োগ বিধি মালা—২০২০ সংশোধন, নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন, ৮৬৫জন খালাসী ও ১১১৩ জন ওয়েম্যানের অনুমোদিত তালিকার দ্রুত নিয়োগ, আউটসোর্সিং এর নামে পকেটসোর্সিং বাতিল,রেল পোষ্যদের সরাসরি নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন করে রেলপোষ্য সোসাইটি।
রবিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ রেলপোষ্য সোসাইটি ঢাকা প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধনের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ রেলপোষ্যসোসাইটির উদ্যেগে আয়োজিত মানববন্ধন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার জাহাঙ্গীর শুভ। উপদেষ্টা আব্দুর রাজ্জাকমল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন সাগর, সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির রাব্বি, চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি সাইদুজ্জামান শিপন, সহ—সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বাপ্পি, ইসলাম রানা, শাকেল হোসেন শাকিল, মোঃ মাহাবুব রহমান মানিক, মোস্তাফি জুর রহমান লিটন, ইসলাম কনক, শামিম মাহমুদ লিমন সরকার,প্রমূখ।
সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সংশোধিত রেলওয়ে ক্যাডার বহিভুর্ত কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা—২০২০ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই নিয়োগবিধি মূলত রেলওয়ের শ্রমিক—কর্মচারী ও পোষ্যদের অধিকার বঞ্চিত করার এক ঐতিহাসিক দলিল। রেলওয়ে কর্মচারীবান্ধব নিয়োগবিধি প্রণয়ন এর দাবিতে রেলওয়ের সকল ট্রেড ইউনিয়ন ও রেলওয পোষ্য সোসাইটি দাবি জানিয়ে আসলেও রেলপথ মন্ত্রণালয় তা কর্ণপাত না করে জনবল নিয়োগের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারির কারণে রেলওয়ে শ্রমিক—কর্মচারী ও পোষ্যদের মাঝে চরম হতাশা, ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। রেলওয়ে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই সম্পূর্ণ আলাদা। সংশোধিত রেলওয়ে ক্যাডার বহিভুর্ত কর্মচারী নিয়োগ বিধি মালা—২০২০ বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত বিধি—বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। রেলওয়ে একটি সম্পূর্ণ বিশেষায়িত টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠান। সামগ্রিকভাবে রেলওয়ের কর্মপদ্ধতি এবং কর্মকর্তা—কর্মচারীদের পদ—পদবী অন্য কোন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। স্বাভাবিক কারণে রেলওয়ে শ্রমিক—কর্মচারী ও পোষ্যরা মনে করে রেলওয়ে তাদের স্বতন্ত্র আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে এবং রেলওয়েকে চলমান স্বতন্ত্র প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করা উচিত।

















