বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মানুষ আজ তাদের অধিকার ফিরিয়ে নেয়ার জন্য রাস্তায় নেমেছে। ২২ তারিখ থেকে ৯ দিন জনগণ রাস্তায় থাকবে। মাঠে থেকে শেখ হাসিনার বাকি সময়টুকু বিদায় করবে। চট্টগ্রামবাসী চট্টগ্রাম থেকেই সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। জনতার স্রুত এখনো শুরু হয়নি। আজকের এই বিশাল সমাবেশ শুধু স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের খেলা। বাকি খেলা সামনে। চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবকদল দেখিয়ে দিয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সামনে আরও কয়েকগুণ শক্তি বাড়াতে হবে।
তিনি শুক্রবার (১৯ আগষ্ট) বিকালে কাজীর দেউরী মোড়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্ণাঢ্য র্যালী পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামীতে যে আন্দোলন হবে, সেটি হবে শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন। স্বেচ্ছাসেবকদল, তাঁতীদল, মহিলাদল, শ্রমিকদল, ছাত্রদল সব অঙ্গসংগঠন যদি চট্টগ্রামে নামে, চট্টগ্রাম জনস্রোতে পরিণত হবে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চট্টগ্রামে মহাসমাবেশ হবে। আওয়ামী লীগের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। তারা আবুল তাবুল বলছে। এগুলো গদি হারানোর লক্ষণ। তাই সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকুন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দুঃশাসন জারি রেখেই বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ জন্যই তারা বিরোধী দলকে দমন পীড়নের মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। তাই হত্যা, নির্বিচার গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা সাজানোর জন্য পরিকল্পিত ঘটনা তৈরি করাই এখন সরকারের একমাত্র কাজ। এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সরকার প্রশাসন ও পুলিশকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবদুুর রহিম ও নুরে আলমকে হত্যা করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও পেট্রোলিয়াম করপোরেশন দাম না কমিয়ে পাঁচ বছর ধরে লাভ করেছে। এতে তাদের লাভ ছিল প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। সেই মুনাফার টাকা তারা কী করেছে? এর হিসাব দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়া অমানবিক। বর্তমান সরকার জেনেশুনে দেশকে ধ্বংস করছে। সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। জবাবদিহি করতে হয় না বলেই তারা এটা করতে পারছে।
সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন, গণতন্ত্র, জনগণের ভোটাধিকার ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অতীতের ন্যায় আগামীতেও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দল রাজপথে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, গুম, খুন, দুর্নীতি ও লুটপাট ছাড়া এই সরকারের জনগণকে দেয়ার মত আর কিছুই নেই। প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে সরকারের ভয়াবহ দুর্নীতি দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, ঈসরাফিল খসরু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি শওকত আজম খাজা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, শহীদুল্লাহ বাহার, সিরাজ উদ্দিন, আবু ইউসুফ, খায়রুল আলম দিপু, এড. সাইদুল ইসলাম, মো. আসলাম, হারুন আল রশীদ, মামুনুর রহমান, মাঈনুদ্দিন রাশেদ, এন আই চৌধুরী মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, নুরুল আলম শিপু, এম. আবু বক্কর রাজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, আবু নাঈম দুলাল, আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, দিদার হোসেন, আব্দুল মান্নান আলমগীর, মনির হোসেন শাহাদাত হোসেন সোহাগ, জাকির হোসেন, এমদাদুল হোসেন স্বপন, মোখলেছুর রহমান, মো. আব্দুল মান্নান, মোঃ হাসান,মাহবুব খালেদ, রাসেল খান , মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, নাছির উদ্দিন, মিজানুর রহমান সাইফুল, সাইফুল আলম দিপু, ইকবাল হোসেন রুবেল, রবিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান সাইফুল, প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মানিক, সাহিত্য সম্পাদক লুৎফর রহমান জুয়েল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নুর আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইস্কান্দার,কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান,অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক এরশাদুল কাইয়ুম, মানবাধিকার সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন,স্বনির্ভর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পরিবেশ বিষয়ক গিয়াস উদ্দিন সম্রাট,সহ- ত্রাণ সম্পাদক ইমরান সিদ্দিকী জ্যাকশন, সহ-প্রচার জহির ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, রাশেদ পাটোয়ারী, বাকের হোসেন, আকতার হোসাইন, মোঃ মিজান ,আকতার হোসেন, মোঃ পারভেজ, সাজ্জাদ হোসেন খান, জাবেদ হোসেন, রুবেল খান ,পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিউল আলম শফি, আকবর শাহ্ থানার আহ্বায়ক হাসান মাহমুদ, হালিশহর থানা আহ্বায়ক আনোয়ার কাফি মুন্না, ডবলমুরিং থানা আহ্বায়ক আকতার হোসেন বাবলু, পাহাড়তলী থানা আহ্বায়ক আনিসুজ্জামান পাটোয়ারি টুটুল, খুলশী থানা আহ্বায়ক রায়হান আলম , কোতোয়ালী থানা আহ্বায়ক এন. মোঃ রিমন, বন্দর থানা আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রাজু, বায়োজিদ থানা আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন, বাকলিয়া থানা আহ্বায়ক মোঃ দুলাল মিয়া, চকবাজার থানা আহ্বায়ক রিদওয়ানুল হক, চান্দগাঁও থানা আহ্বায়ক সাজিদ হাসান রনি, ইপিজেড থানা আহ্বায়ক ইউসুফ সুমন, পতেঙ্গা থানা আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, চান্দগাঁও থানা সদস্য সচিব মো শহীদুজ্জামান শহীদ, পাঁচলাইশ থানা সদস্য সচিব মহিউদ্দিন রুবেল, কোতোয়ালী থানা সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল হাসান সোনামানিক, ডবলমুরিং থানার সদস্য সচিব নোমান সিকদার সোহাগ, বন্দর থানার সদস্য সচিব আরমান শুভ, চকবাজার থানার সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম শহীদ, ইপিজেড থানার সদস্য সচিব মিজান হোসেন, হালিশহর থানার সদস্য সচিব মুরাদ হোসেন, পাহাড়তলী থানার সদস্য সচিব ইস্কান্দার মির্জা, খুলশী থানার সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বাবু, বায়োজিদ থানা সদস্য সচিব কাজী মহিউদ্দিন, আকবর শাহ্ থানা সদস্য সচিব তৌসিফ আহমেদ চৌধুরী, সদরঘাট থানা সদস্য সচিব আনোয়ারুল আবেদীন মুন্না, বাকলিয়া থানার সদস্য সচিব মোঃ শামীম আহমেদ সহ থানা ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।

















