বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিডিসি’র জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-‘জলাতঙ্কঃ মৃত্যু আর নয়, সবার সাথে সমন্বয়’।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ডা. সেখ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থান করেন ডা. মোহাম্মদ মোর্শেদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তফা জামাল হায়দার, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থো সার্জারী) ডা. অজয় কুমার দাশ, কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. হামিদুল্লাহ মেহেদী প্রমূখ। সিনিয়র-জুনিয়র কনসালট্যান্ট, মেডিকেল অফিসার, নার্স ও কর্মচারীবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ঘাতক ব্যাধি জলাতঙ্কের প্রধান বাহক কুকুর। এছাড়া বিড়াল, বেজি ও শিয়ালের আঁচর-কামড় থেকেও এ রোগ হতে পারে। জলাতঙ্ক একদিকে শতভাগ বিপজ্জনক, অপরদিকে শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। আক্রান্তের পরপর চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক যথাসময়ে এন্টিরেবিস টিকা প্রদান করে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধ নিশ্চিত করা যেতে পারে। জলাতঙ্ক এখন পূর্বের মতো ভয়ের বিষয় নয়, বরং মানুষ সচেতন হলেই এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, কুকুর বা সন্দেহভাজন জলাতঙ্ক গ্রস্থ প্রাণি দ্বারা আক্রান্তের পর রোগীর দেহে সৃষ্ট ক্ষতস্থান খুব দ্রæত ক্ষারযুক্ত সাবান ও প্রবাহমান পানি দ্বারা ১৫ মিনিট ধৌত করা হলে সেখানে নিপতিত রেবিস ভাইরাস অপসারিত বা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করেই প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এ ভয়ংকর ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।

















