চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, আগামী ১২ অক্টোবর বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণসমাবেশ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃংখল সমাবেশ হবে। আওয়ামী দু:শাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ট। ফ্যাসিবাদী একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় দেশের প্রত্যেকটি সেক্টর আজ বিধ্বস্ত। উন্নয়নের গালগল্প রেডিও টিভিতে শুনতে পাওয়া যায়। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করেই ক্ষান্ত হননি, শান্তিপূর্ণ র্যালিতেও গুলিবর্ষণ করছে আওয়ামীলীগ। বীর চট্টলার মাটি থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।
তিনি আজ ৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় সম্মুখ মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত আগামী ১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
আবুল হাশেম বক্কর আরো বলেন, বন্দুকের নলের উপর ভর করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার স্বপ্ন বাংলার মানুষ কখনো বাস্তবায়ন হতে দেবে না। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অর্জিত স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে।
সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, সোনার বাংলা আজ হায়েনার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। আঠার কোটি মানুষের দু:খ কষ্টের সীমা নেই। শুধু ভালো আছে আওয়ামীরা। আগামীর ১২ অক্টোবরের গণ সমাবেশে বীর চট্টলার জনগণ আওয়ামী দু:শাসনের জবাব দেবে। তিনি এ সময় প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার উদাত্ত আহবান জানান।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, যুব ঐক্য প্রগতির মূলমন্ত্রে বলিয়ান জাতীয়তাবাদী যুবদল। আগামী ১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণসমাবেশেকে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সুশৃংখল ও সুন্দর মহাসমাবেশে রূপান্তন করতে ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করবে। নগরীর আওতাধীন ১৫ টি থানা ও ৪৩ টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানান। আমাাদের ভাই শহীদ নূরে আলম, শহিদুল ইসলাম শাওন, আবদুর রহিম, শাওন প্রধান ও আবদুল আলিম’র রক্ত বৃথা যাবে না।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন নগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গির আলম, আবদুল গফুর বাবুল, মো: মুছা, নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ আলী সাকী,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক সেলিম খান, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিমউদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, হেলাল হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নূর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, জসিম উদ্দিন সাগর, মো. আলা উদ্দিন, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বকতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মো. নওশাদ, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, মো: সাহেদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জহির, কোরবান আলী, হামিদুল হক, মিজানুর রহমান বাবুল, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, আবদুল আওয়াল টিপু, ইব্রাহীম খান, ইলিয়াছ হাসান মঞ্জু, গুলজার হোসেন মিন্টু, সালাহ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, আনোয়ার হোসেন, সাইফুদ্দিন যুবরাজ, জসিম উদ্দিন, মো. বেলাল উদ্দিন, আরিফ হোসেন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সুলতান আহমেদ খান সুমন, সদস্য মাহবুব খান জনি, সোহাগ খান, প্রফেসর সাইদুল হক, আবদুল করিম, থানা যুবদলের আহবায়ক বজল আহমেদ, মোশারফ আমিন সোহেল, মো: সেলিম, ইসমাইল হোসেন লেদু, মো. আজম, মো. খোরশেদ, মো. ইসমাইল, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মো. হাসান, হাবিবুল্লাহ রাজু, শওকত খান রাজু, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, মোর্শেদ কামাল, তাজুল ইসলাম, এ. জে. এম সোহেল, মো. ইলিয়াছ, মো. সারওয়ার, আবদুল জলিল, মোস্তকিম মাহমুদ, নূর খান, সাইফুল আলম রুবেল, সেলিম উদ্দিন, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক এস এম আলী, বাদশা আলমগীর, মো: হাসান, মো. ইউনুস, জহিরুল ইসলাম, মো: মাসুদ আলমসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
















