বঙ্গবন্ধু টানেল, স্মৃতিসৌধ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রামে শুভাগমন ও আনোয়ারার কেইপিজেড মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিশাল জনসভা সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে এক প্রাক-প্রস্তুুতি সভা আজ ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ মুক্তিযোদ্ধা ভবনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ।
তিনি বলেন, আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আনোয়ার কেইপিজেড মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করা হবে। জনসভা লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধারাও এখন থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানী রাজাকার-আলবদরকে পরাজিত করার মাধ্যমে এদেশ স্বাধীন করেছি। সে দিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে চট্টগ্রাম থেকে মহান স্বাধীনতা ঘোষনা করা হয়েছিল। ৬ দফা আন্দোলনের ডাকও চট্টগ্রাম থেকে দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে চট্টগ্রামের অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি বলেন, এদেশে পাকিস্তানী রাজাকার বাহিনীর দোসর জামাত-শিবিরের কোন স্থান নেই। তারা কোথাও সভা-সমাবেশ করলে কঠোর হস্তে প্রতিরোধ করতে হবে। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রাক-প্রস্তুুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গণি, জেলার সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূর উদ্দিন, চান্দগাঁও কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিন, কোতোয়ালী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৌরিন্দ্রনাথ সেন, পতেঙ্গা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন, বাকলিয়া কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন, খুলশী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউসুফ, পাঁচলাইশ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ মিয়া, সদরঘাট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, ডবলমুরিংয়ের সমন্বয়কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ, হালিশহরের ডেপুটি কমান্ডার আবুল কাশেম, বীর মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে জামাল আহমেদ, মোঃ নুরুল আমিন, সৈয়দ আহমদ, জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুল হায়দার, রেজাউল করিম, দুলাল কান্তি রায়, বাবুল দত্ত, শাহ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাহেদ মুরাদ সাকু, কাজী রাজিশ ইমরান, কামরুল হুদা পাভেল, রিপন চৌধুরী, মাঈনুল আলম সৌরভ, মনির আহমদ বিজয় প্রমূখ। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ড, আওতাধীন থানা কমান্ড, প্রাতিষ্ঠানিক কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

















